নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর সাত সদস্য বাংলাদেশ থেকে আসামের করিমগঞ্জে প্রবেশ করেছে বলে সন্দেহ করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে উৎকণ্ঠিত আসামের সব জেলার পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসাম পুলিশের এডিজিপি’র বরাত দিয়ে ভারতের কেরালাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ কেরালার এক প্রতিবেদনে খবরটি জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জেএমবির সন্দেহভাজন সাত সদস্য বাংলাদেশ থেকে করিমগঞ্জের বারাক ভ্যালিতে প্রবেশ করেছে বলে গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন। আসাম পুলিশের এডিজিপি পল্লব ভট্টাচার্যকে উদ্ধৃত করে নিউ কেরালার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজ্যের সকল জেলা পুলিশকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী রাজ্য মনিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মেঘালয়া এবং ত্রিপুরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হয়েছে।
ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা আইবি’র এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে নিউ কেরালা জানিয়েছে, গত সপ্তাহে সন্দেহভাজন এ দলটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়েছে এবং বারাক ভ্যালিতে প্রবেশ করেছে। সন্দেহভাজনদের সঙ্গে প্রচুর সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক ছিল বলে দাবি করেছেন ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। সন্দেহভাজন জঙ্গিরা আসামে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা জানিয়েছেন তিনি। অবশ্য ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেনি নিউ কেরালা।
গত বছর আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুই বোমা বিশেষজ্ঞসহ ছয় সন্দেহভাজন জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে নিউ কেরালার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বর্ধমাণ বিস্ফোরণের পর বাংলাদেশের এ জঙ্গি সংগঠনটি নতুন করে গঠিত হয়। নতুন জেএমবি সংগঠনটি আসামে নিজেদের ঘাঁটি স্থাপন করছে এবং নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে। জিহাদি গোষ্ঠীটি আসামে আরও স্লিপার সেল তৈরি করার চেষ্টা করেছিল বলেও মনে করে ভারতীয় গোয়েন্দারা।
/এফইউ/বিএ/








