পাকিস্তান সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর মর্টারে এক পাকিস্তানি কিশোর নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগ। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজাদ জম্মু ও কাশ্মিরে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে গুলি চালাতে শুরু করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। তাদের গুলিতে মারা যান রিজওয়ান নামে এক কিশোর। পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র নাফিস জাকারিয়া এক টুইটে অভিযোগ করেন, ভারত অস্ত্রবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে এবং গুলি চালিয়েছে।
পুলিশের এসএসপিক কোটলি চৌধুরী জুলকার নাইন সরফরাজ বলেন, ভারতীয় বাহিনীর মর্টারে একজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দিবাগত রাত ২টার সময় সাবকোত গ্রামের একটি বাড়ি ভারত মর্টার হামলা চালায়। এই মর্টারে বাড়ির ছাদ ধ্বংস হয় ও একজন মারা যান। ঘুমের মধ্যেই আহত হন আরও দুইজন।
কোটলি গ্রামের কাছেই চারহোই এলাকায় সাবকোত গ্রামটি অবস্থিত। আহতরা হলেন রিজওয়ার নের ভাই কামরান(১৪) ও তার ৮০ বছর বয়সী উইলিয়াত বেগম। তৎক্ষণাৎ তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এছাড়া ৭৫ বছর বয়সী রাজা আজিজ নামেও এক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। এসএসপি বলেন, সারারাত ধরে দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়েছে। কিন্তু সকালে অবস্থা আরও খারাপ হয়।
ভিবমার জেলার সামাহানি সেক্টরেও মর্টার হামলা চালানো হয়। তবে সেখানে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের রাজৌরি জেলায় পাকিস্তানি বাহিনীর মর্টার হামলায় এক নারী নিহত হওয়ার দাবি করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, একই হামলায় ওই নারীর স্বামী আহত হন।
এর আগে ৬ মে পাকিস্তান সীমান্তের কোটলি জেলার নাকিয়াল সেক্টরে একটি মর্টার হামলায় একই পরিবারের চারজন আহত হয়েছিলেন।
ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণ রেখায় অনেক সৈন্য মোতায়েন করেছেন দুই দেশ। চলতি মাসের শুরুতেই পাকিস্তানি সেনা কর্তৃক দুই ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর অবস্থা চরমে পৌঁছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলো পাকিস্তান।
/এমএইচ/








