আফগান সরকারের সঙ্গে হেকমতিয়ার-এর চুক্তিতে সমর্থন জাতিসংঘের

বিদেশ ডেস্ক
১৬ মে ২০১৭, ২৩:০০আপডেট : ১৬ মে ২০১৭, ২৩:১১

গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজব-ই-ইসলামি’র প্রধান গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার-এর সঙ্গে আফগান সরকারের চুক্তিতে সমর্থন জানিয়েছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার কাবুলে তার সঙ্গে দেখা করে এ সমর্থনের কথা জানান জাতিসংঘ মহাসচিবের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ দূত তাদামিছি ইয়ামামোটো।

২০ বছর স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার পর চলতি বছরের এপ্রিলে সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে দেশে ফেরেন সাবেক সেনাপ্রধান গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার। চুক্তি অনুযায়ী, হেকমতিয়ার আফগান সংবিধান মেনে সহিংসতা প্রত্যাহারে রাজি হন। জালালাবাদ থেকে কড়া নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে তাকে কাবুলে নিয়ে আসা হয়।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহায়তা মিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনায় বেশকটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তাদামিছি ইয়ামামোটো। এর মধ্যে মানবাধিকার, নারী অধিকার এবং বাক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মতো বিষয়গুলো রয়েছে। আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় এসবের প্রয়োজন রয়েছে।

হেকমতিয়ার একজন ইসলামপন্থী সেনাপতি। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি নৃশংসতার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম জঙ্গি সংগঠন হেজব-ই-ইসলামের প্রধান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেকমতিয়ারকে আধুনিক আফগান ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তি বলে মনে করা হয়। ১৯৯৬ সালে তালেবানরা তাকে কাবুল ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছিল। ফলে প্রায় ২০ বছর পর কাবুল ফিরছেন তিনি।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন-বিরোধী লড়াইয়ে সাতটি গ্রুপের একটির নেতা ছিলেন হেকমিতয়া। ১৯৮০’র দশকে সোভিয়েত দখলের বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মুজাহেদিন যোদ্ধাদের নেতা ছিলেন তিনি। তবে ১৯৯০ দশকের সহিংস গৃহযুদ্ধের জন্যই তিনি সর্বাধিক পরিচিত। ওই সময় হেজব-ই-ইসলামি কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অপর সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সহিংস সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।

অনেকেই মনে করেন, ওই সময় হেজব-ই-ইসলামির নৃশংসতার কারণেই সাধারণ আফগানরা তালেবানদের ক্ষমতাগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। এ গৃহযুদ্ধই হেকমতিয়ারে পতন ডেকে আনে। তালেবানরা কাবুল দখল করলে হেকমতিয়ার ও তার সংগঠনের লোকেরা পালিয়ে যান। সূত্র: বিবিসি, আনাদোলু এজেন্সি।

/এমপি/

সম্পর্কিত
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম