ফরাসি পার্লামেন্টে ম্যাক্রোঁর দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা

বিদেশ ডেস্ক
১৯ জুন ২০১৭, ০৭:৩৮আপডেট : ১৯ জুন ২০১৭, ০৭:৪০
image

ফরাসি পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল। দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত দফার ভোটে বিপুল পরিমাণ আসন পেয়ে বিজয়ী হয়েছে তার দল। ফরাসি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৫৭৭ আসনের জন্য লড়াই করেছেন প্রার্থীরা। ম্যাক্রোঁর দল পেয়েছে ৩ শতাধিক আসনে। পার্লামেন্টেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ম্যাক্রোঁর দলের

গত ১১ জুন প্রথম দফার ভোটের ফলাফলে মাত্র চার আসনের প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট পেতে সমর্থ হন। রীতি অনুযায়ী ওই ৪ আসন বাদ রেখে বাকী আসনগুলোতে দ্বিতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শীর্ষ ভোটপ্রাপ্ত দুই প্রার্থী  এবং যারা  নিবন্ধিত ভোটারদের অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশের ভোট পেয়েছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতো করেই পার্লামেন্টের ভোটও অনুষ্ঠিত হয় দুই দফায়। কেউ যদি প্রথম দফাতেই ৫০ শতাংশের বেশি পরিমাণ ভোট পেয়ে যান, তবে প্রথম দফার ভোটেই তিনি পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। আর যেসব আসনে কোনও প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট পাবেন না সেসব আসনের শীর্ষ দুই বিজয়ীর মধ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে লড়াই হয়। প্রথম দফার নির্বাচনে ম্যাক্রোঁর দল এলআরইম এবং মোডেম এ দুটি দল একসঙ্গে ৩২.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। মধ্যম ডানপন্থী রিপাবলিকানরা পেয়েছে ২১.৫ শতাংশ ভোট। রবিবারের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, ম্যাক্রোঁর দল রিপাবলিক অন দ্য মুভ এবং তাদের জোটসঙ্গী মোডেমের প্রার্থীরা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়েছেন।

ফ্রান্সের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে একটি দলকে ৫৭৭টি আসনের মধ্যে ২৮৯টি আসন পেতে হয়। জনমত জরিপগুলো আভাস দিয়েছিল, নির্বাচনে ম্যাক্রোঁর দল এলআরইএম ৭৫-৮০ শতাংশ আসনে জয় পাবে। অর্থাৎ পার্লামেন্টে ৪০০টিরও বেশি আসন পাবে তারা। জরিপের আভাস সত্যি হয়েছে। সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৫৭৭ আসনের মধ্যে ম্যাক্রোঁর দল রিপাবলিক অন দ্য মুভ ৩০০ টিরও বেশি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে,  তার জোটসঙ্গী মোডেমের প্রার্থীরা জিতেছে আরও ৪০টি আসনে। এ নিয়ে ম্যাক্রোঁর দল ইতোমধ্যে ৩৪০ টিরও বেশি আসনে জয় পেয়েছে।

গত মে মাসে আধুনিক ফ্রান্সের কনিষ্ঠতম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ফ্রান্সের রাজনীতিতে বাম ও ডানপন্থী রাজনৈতিক প্রধান দু’টি ধারার বাইরে ১৯৫৮ সালের পর ম্যাক্রোঁই প্রথম ব্যক্তি, যিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। নির্বাচনি প্রচারণায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুসম্পর্কের মধ্য দিয়েই ফ্রান্সকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন ম্যাক্রোঁ। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবেলায় কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। ম্যাক্রোঁর সমর্থকদের আশা, পার্লামেন্টে দলটির নিরঙ্কুশ বিজয়ের মধ্য দিয়ে নিজস্ব নীতিমালাগুলো সহজে পাস করাতে পারবেন ম্যাক্রোঁ।

//বিএ/

সম্পর্কিত
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সেন্ট পিটার্সবার্গের তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের হামলা
দুনিয়ার আজব ৭টি সাপের মেলা
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম