যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মুখে নিজ দেশের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম-এর স্থান পরিবর্তন করছে উত্তর কোরিয়া। সূত্রের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এশিয়া বিজনেস ডেইলি এ খবর দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রথমবারের মতো একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। সর্বশেষ দুইদিন আগে রবিবার ষষ্ঠ দফায় আইসিবিএম-এর সফল পরীক্ষা চালায় পিয়ংইয়ং। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিবাদ উপেক্ষা করে পিয়ংইয়ং হয়তো গোপনে আরও বিভিন্ন সমরাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। বিশেষ করে রবিবারের আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ঘটনায় দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক অবরোধের পরিধি আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
এশিয়া বিজনেস ডেইলি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার একটি আইসিবিএম রকেট দেশটির পশ্চিম উপকূলে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। সোমবার রাতে এটি সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়। বৈদেশিক নজরদারি এড়াতেই আইসিবিএম রকেটের স্থান বদলের জন্য রাতের বেলাকে বেছে নেয় উত্তর কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার রবিবারের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হেলি অভিযোগ করেছেন, উ.কোরিয়া যুদ্ধ চাইছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কখনোই যুদ্ধ চায় না। তবে সহ্যের একটা সীমা আছে। আমরা আমাদের ও মিত্রদের রক্ষা করবো।’
ওয়াশিংটন উত্তর কোরিয়ার উপর নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান নিকি হেলি। সামনের সোমবারই এই নিয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।
নিরাপত্তা পরিষদকে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনকে প্রতিহত করতে সবরকম পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান মার্কিন দূত। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক পরীক্ষা ‘চপেটাঘাত’। যুক্তরাষ্ট্র দেখবে কোন দেশগুলো উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এবং সহায়তা করে যাচ্ছে।








