বঙ্গোপসাগরে নতুন করে রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবির খবরে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নৌকাডুবির ঘটনায় এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
ইউএনএইচসিআর-এর বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলের কাছে মঙ্গলবার সকালে নৌকাটি ডুবে গেলে চার রোহিঙ্গা নিহত হয়। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ইউএনএইচসিআর-এর কর্মী ও সহযোগীরা নৌডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়াদের কাছে খাদ্য, কম্বল, কাপড়-চোপড় ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। প্রাণে বেঁচে যাওয়াদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে সংস্থাটি জানায়, ওই নৌকায় ছয়টি পরিবারের সর্বমোট ৪২ জন রোহিঙ্গা ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশুও রয়েছে। তারা সবাই রাত ২টার দিকে রাখাইন প্রদেশের মংদোর দক্ষিণের গোজন দিয়া থেকে ওই মাছ ধরার নৌকাটিতে করে যাত্রা করেছিলেন।
বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর জানায়, উত্তাল সাগরে নৌকা ভাসাতে ভাসাতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে নৌকাটি পৌঁছায়। তবে বিশাল বিশাল ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি আর তীড়ে পৌঁছাতে পারেনি। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার সময় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আহত ২২ জনকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথে প্রাণ হারায় আরও তিনজন। বাকি ১৯ জনকে কুতুপালং ক্যাম্পের কাছে ইউএনএইচসিআর-এর ট্রানজিট সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
ইউএনএইচসিআর-এর বিবৃতিতে জানানো হয়, তাদেরকে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার জন্য স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা জানায়, ‘চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদেরকে যেন আলাদা না হতে হয় তা আমরা নিশ্চিত করব।’








