কোরীয় উপদ্বীপে শুক্রবার ফের মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাপান সফরের একদিন আগে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এ মহড়া চালানো হয়। এ ঘটনাকে পিয়ংইয়ং-এর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরির কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
মহড়ার অংশ হিসেবে গুয়ামের অ্যান্ডারসন বিমান ঘাঁটি থেকে কোরীয় উপদ্বীপের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে মার্কিন বোমারু বিমান। গত আগস্টেই গুয়ামের এই ঘাঁটিতে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছিল পিয়ংইয়ং।
মার্কিন নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুয়ামের সামরিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি বিওয়ান-বি বোমারু বিমান উড্ডয়ন করেছে। সেগুলো দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বি-ওয়ান বি জঙ্গি বিমানের সঙ্গে যৌথভাবে মহড়ায় অংশ নিয়েছে।
পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনে উত্তর কোরিয়ার উচ্চাভিলাষ সম্প্রতি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার প্রচেষ্টায় অগ্রসর হওয়ায় ক্ষুব্ধ হোয়াইট হাউস। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এশিয়া সফরের আগ মুহূর্তে এ মহড়ার আয়োজন করা হয়। ট্রাম্পের সফর পরিকল্পনায় রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের নাম।
সফরে এ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপরও গুরুত্ব দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ভিয়েতনামে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশনের (এপিইসি) সম্মেলনে অংশ নেবেন। পরে ফিলিপাইনে আসিয়ানের এক সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। সফরকালে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠেয় এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন ও ফিলিপাইনে অনুষ্ঠেয় সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি।
প্রথমে জাপানে সফরে যাবেন ট্রাম্প। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর শিনজো অ্যাবের সঙ্গে বৈঠকের পর দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন সফরে যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কর্মকর্তারা বলছেন, ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তের প্রতি ট্রাম্প সমর্থন জানাতে অনিচ্ছুক ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য করেন রদ্রিগো। তবে শেষ পর্যন্ত দেশটিতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।








