পশ্চিমতীরের রামাল্লায় এক ফিলিস্তিনি শিশুকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সেনাসূত্রকে উদ্ধৃত করে টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, মুসাব ফিরাস আল তামিমি নামের ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরের কাছে বন্দুক রয়েছে; এমন আশঙ্কা থেকেই গুলি ছুঁড়ে তাকে হত্যা করা হয়। ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের স্বীকৃতির পরই নতুন করে রাজপথে নামে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিরা। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, এখন পর্যন্ত ওই কিশোরসহ ১৪ জন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন।
বিভিন্ন মানবাধিকার ও শিশু সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনে শিশুদের ওপর হত্যাকাণ্ড-নির্যাতনসহ নানান ধারার নজিরবিহীন মানবাধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে জাতিসংঘ জানিয়েছে, বিচ্ছিন্নভাবে জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়ার আগের দি থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহে (৫ ডিসেম্বর থেকে ১৮ই ডিসেম্বর) মাত্র ১৪ দিনে ৩৪৫ জন শিশু আহত হয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায়।
সেনাসূত্র টাইমস অব ইসরায়েলকে জানিয়েছে, ওই কিশোর রামাল্লার কাছাকাছি এক গ্রামে মোটামোটি ৩০ জন ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীর সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেয়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্র ওই সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করে, ছেলেটি তাদের দিকে অস্ত্র তাঁক করার ভান করেছিল। তবে সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র টাইমস অব ইসরায়েলকে জানিয়েছেন, আদতেও ওই কিশোরের হাতে অস্ত্র ছিল কিনা, এখনও তা নিশ্চিত হতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অতীতেও ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ফিলিস্তিনি শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ইসরায়েলি সেনাসূত্রকে একই রকমের ভাষ্য সরবরাহ করতে দেখা গেছে।








