আবারও হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি সৌদি আরবের

বিদেশ ডেস্ক
০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:৫০আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:০৩

 

 

আবারও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। হুথি বিদ্রোহী হামলা চালানোর কথা জানানোর পরই সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে এ কথা বলা হয়।

ফাইল ছবি

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেল আল একবারিয়ার খবরে বলা হয়, দেশটির দক্ষিণ সীমান্তের কাছে নাজরান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি চালানো হয়। তবে তা লক্ষ্যে আঘাত হানার আগেই প্রতিহত করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এর আগে হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে টুইটারে হামলার কথা স্বীকার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাদের নিজস্ব পরিচালনায় থাকা ‘আল মাসিরাহ’ টেলিভিশন চ্যানেল। খবরে বলা হয়, ‘সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একটি স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সফলভা্বে ছোড়া হয়েছে।’ এতে বলা হয়, সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি একটি কাহার-২এম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।     

‘আল মাসিরাহ’র খবরে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই সৌদি জোট ইয়েমেনের সাদা’য় হুথিদের একটি ঘাঁটিতে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে আল জাজিরা এ খবর নিশ্চিত করতে পারেনি।

এর আগে গত নভেম্বর একই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষ তা ধ্বংস করে আকাশে। এরপর ডিসেম্বরের পর আবারও হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। তবে প্রতিবারই সৌদি আরব তা প্রতিহত করার দাবি জানিয়েছে।

 আঞ্চলিক আধিপত্য নিয়ে সুন্নি শাসিত সৌদি আরব ও শিয়া শাসিত ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে ইরান এবং দেশটির নির্বাসিত প্রেসিডেন্টের পক্ষে যুদ্ধ করছে সৌদি আরব।

২০১৪ সালে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানাসহ বেশ কিছু এলাকা দখল নেওয়ার পর থেকেই ইয়েমেনে যুদ্ধ চলছে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে আরব জোট দেশটির নির্বাসিত প্রেসিডেন্টের হাদির সমর্থনে অভিযান শুরু করার পর যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। জাতিসংঘের মতে এই লড়াইয়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের অনেকেই বেসামরিক নাগরিক।

 

/আরএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
চার অঞ্চলে ঝড়ের আভাস
চার অঞ্চলে ঝড়ের আভাস
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিফতরে অবিবাহিতদের চাকরির সুযোগ, লাগবে না অভিজ্ঞতা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিফতরে অবিবাহিতদের চাকরির সুযোগ, লাগবে না অভিজ্ঞতা
মাজারের কুমিরটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণে
মাজারের কুমিরটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণে
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, আদালতে আনা হয়েছে আসামিদের
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, আদালতে আনা হয়েছে আসামিদের
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের