'২০১৮ সালে ইসরায়েলের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ হবে গাজা'

বিদেশ ডেস্ক
১০ জানুয়ারি ২০১৮, ২৩:৫০আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০১

ইসরায়েলের জন্য ২০১৮ সালে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ হবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা। সিরিয়া, লেবানন ও পশ্চিম তীরের চেয়েও হামাস নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি ইসরায়েলের জন্য বেশ কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র আভিচয় আদ্রাই।

'২০১৮ সালে ইসরায়েলের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ হবে গাজা' চলতি বছরই গাজা সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ করা হবে বলেও জানান এই ইসরায়েলি কর্মকর্তা।

আভিচয় আদ্রাই বলেন, চলতি বছর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার চারদিকে সিমেন্টের দেয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সুড়ঙ্গ খনন করে ইসরায়েলি সীমানায় হামাসের প্রবেশ ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেয়ালটি মিসর, সিরিয়া ও জর্ডান সীমান্তের মতো করে নির্মাণ  করা হবে। তবে সুড়ঙ্গ নির্মাণ ঠেকাতে গাজা সীমান্তে দেয়ালটিতে ভূগর্ভস্থ অংশও রাখা হবে।

তিনি বলেন, ‌২০১৮ সালে গাজা উপত্যকায় মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে। এটাই আমাদের চিন্তার বিষয়। তবে ইসরায়েলের সব সীমান্তেই প্রতিবেশীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার মতো উপাদান বিদ্যমান রয়েছে।

২০০৭ সালে হামাসের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর মিসরের সঙ্গে মিলে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি অধিবাসীর গাজা উপত্যকার অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল। গত ১০ বছর গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে ২০০৮-০৯, ২০১২ ও ২০১৪ সালের হামলায় কয়েক হাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনি নিহত হন।

আনাদোলু এজেন্সি’কে আদ্রাই বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ছোট কোনও যুদ্ধ কৌশলের কারণেই বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। যে কোনও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে উস্কানি যুদ্ধাবস্থা তৈরি করতে পারে। এ কারণে উত্তেজনা বাড়ানোর মতো বিষয়ে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সেনাবাহিনী সব সময় যুদ্ধরত বা যুদ্ধের প্রস্তুতির মধ্যেই থাকে। শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে আমাদের সামর্থ্য ও প্রস্তুতি বাড়িয়েছি।’

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আইএস’কে সত্যিকারের কোনও হুমকি মনে করছে না বলেও জানান আদ্রাই। আর লেবাননের হিজবুল্লাহ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইরানের কাছ থেকে উন্নত অস্ত্র পাওয়ার পরও হিজবুল্লাহ সিরিয়ার পরিস্থিতিতেই আচ্ছন্ন হয়ে আছে।’

ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীরে উত্তেজনা বাড়ানোর পক্ষপাতী নয় দাবি করে আদ্রাই বলেন, ‘কেউই ১০ বছর আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে আগ্রহী নয়’। তিনি ২০০০ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় ইন্তিফাদার কথা উল্লেখ করেন। ফিলিস্তিনিদের ওই আন্দোন ৫ বছর ধরে চলেছিল।

/আরএ/এমপি/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বশেষ খবর
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম