শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক নারী প্রার্থী

বিদেশ ডেস্ক
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৪৬আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৫৩
image

শ্রীলঙ্কায় শনিবার অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা নজিরবিহীন ছিল। এবারের নির্বাচনে ১৭০০০ নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন, যা রেকর্ডসংখ্যক। শ্রীলঙ্কার একটি আইনে সংশোধনী আনার কারণে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার শ্রীলঙ্কায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়
শনিবার স্থানীয় পরিষদের ৩৪০টি স্থানীয় সরকারের ৮৩০০ জন প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোট হয়। নির্বাচনি আসনগুলোর এক চতুর্থাংশ নারী প্রতিনিধি দিয়ে পূর্ণ করার বিধান রেখে শ্রীলঙ্কার একটি আইনে সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্য দিয়ে যত সংখ্যক নারীকে নির্বাচিত হতে হবে তার সংখ্যা বর্তমানে থাকা নারী প্রতিনিধিদের সংখ্যার তুলনায় ১২ গুণ বেশি।  

এবারের নির্বাচনে কলম্বোর মেয়র হওয়ার জন্য প্রতিনিধিত্ব করছেন কূটনীতিক ও পার্লামেন্ট সদস্য রোজি সেনানায়েক। এ পদে তিনিই প্রথম নারী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে রোজি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার চাহিদার দিকে দৃষ্টি না দিই তবে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা যাবে না। আর শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ হলো নারী।

মার্ক্সিস্ট পিপল’স লিবারেশন ফ্রন্ট (জেভিপি) দলের প্রার্থী সামানমালি গুনাসিংগে বলেন, আইনের সংশোধনী আনার কারণে যোগ্যতাসম্পন্ন আরও অনেক নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবেন।  সুমানমালি বলেন, ‘আমাদের দেশে দেখা যায় মন্ত্রীর মেয়ে, ভাই-বোন, কিংবা রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যরাই কেবল রাজনীতিতে আসেন। কিন্তু আমরা মনে করি আইন প্রণয়নের কারণে সৎ ও মেধাবী নারীদেরও রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তা সম্ভব।’

এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনার অস্থিতিশীল জোটের জন্য মধ্যবর্তী পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট এবং জোটের জ্যেষ্ঠ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী রানিল উইক্রেমেসিংগের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। দিন দিন দূরত্ব বাড়তে থাকা এ দুই নেতা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজ নিজ দলের হয়ে আলাদা প্রচারণা চালিয়েছেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে উইক্রেমেসিংগের ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) সমর্থন নিয়ে প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসেকে পরাজিত করেছিলেন সিরিসেনা। তবে এরপর থেকে জোটের মধ্যে ভাঙন দেখা দেয়। সিরিসেনা প্রকাম্যে অভিযোগ করতে থাকেন যে রাজাপাকসে সরকারের চেয়েও ইউএনপি বেশি দুর্নীতিবাজ। ইউএনপিও ইঙ্গিত দিয়েছে ২০২০ সালের নির্বাচনে তারা একাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। শনিবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউএনপি’ই বিজয়ী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর দ্বিতীয় স্থানটির জন্য সিরিসেনা ও রাজাপাকসের দলের লড়াই হবে।

/এফইউ/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম