সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থার মধ্যেই ফেসবুকসহ ইন্টারনেটভিত্তিক সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব মাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে বুধবার বিকেলে এসব যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দেয় শ্রীলঙ্কা সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাতীয় কর্মপন্থা ও অর্থনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী হার্সা ডি সিলভা টুইটারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।
৫ মার্চ ২০১৮ সোমবার ক্যান্ডিতে নতুন করে মুসলিম মালিকানাধীন একটি দোকান জ্বালিয়ে দেয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলি বৌদ্ধরা। ওই অগ্নিসংযোগ থেকেই দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়ে মুসলিম ও বৌদ্ধরা। দাঙ্গায় আহত এক বৌদ্ধের মৃত্যুর পাশাপাশি পুড়ে যাওয়া ভবন থেকে এক মুসলিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। সহিংসতা ঠেকাতে সোমবার রাতে ক্যান্ডিতে কারফিউ জারি করা হয়। মঙ্গলবার ক্রমবর্ধমান সহিংসতার আশঙ্কা জানিয়ে সারাদেশে ১০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে সরকার। সহিংসতার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠতে থাকে।
বুধবার শ্রীলঙ্কার জাতীয় কর্মপন্থা ও অর্থনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী হার্সা ডি সিলভা টুইটারে লেখেন, ফেসবুকে ঘৃণা ছড়ানোর গ্রহণযোগ্য মাত্রা অতিক্রম করে গেছে শ্রীলঙ্কা। জীবন রক্ষায় সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।








