বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ঘৌটা থেকে বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া হবে বলে আশা করছে জাতিসংঘ। সিরিয়ায় সংস্থাটির শীর্ষ ত্রাণ কর্মকর্তা আলি আল-জাতারি বলেন, আমরা আশা করছি পূর্ব ঘৌটা থেকে বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগেও জাতিসংঘ প্রায় এক হাজার আহত বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
আসাদবিরোধীদের সর্বশেষ শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পূর্ব ঘৌটায় প্রায় ৪ লাখ মানুষের বাস। ২০১৩ সাল থেকে এলাকাটি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সেখানে বিমান হামলা শুরু করে রাশিয়া সমর্থিত আসাদ বাহিনী। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পূর্ব ঘৌটায় বিমান হামলা বন্ধ করতে একটি সর্বসম্মত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাশ হলেও আইএস, আল-কায়েদা ও আল নুসরা ফ্রন্টের মতো জঙ্গিদের জন্য এই অস্ত্রবিরতি কার্যকর ছিল না। জাতিসংঘের মানবাধিকার সমন্বয় বিষয়ক কার্যালয়ের মতে এই একমাসের কম সময়ে সেখানে ১১০০ এরও বেশি বেসামরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠী জইস আল-ইসলাম জানায় তারা সরকারি মিত্র রাশিয়ার সঙ্গে এক সমঝোতায় এসেছে। সমঝোতা অনুযায়ী আহত বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে আর কোনও বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে মঙ্গলবার গোষ্ঠীটির মুখপাত্র হামজা বির্কাদার মেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পূর্ব ঘৌটা রক্ষার অঙ্কীকার ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার সকালে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেসামরিকরা পূর্ব ঘৌটা থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। শহরটির বেশিরভাগ অঞ্চলই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে সরকারি বাহিনী। তবে তাদের বিমান হামলায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দুমা ও হারাস্তা শহর।
দুমায় খোলা আকাশের নিচেই ঘুমাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। বোমা হামলার কারণে বাড়িতে থাকাও নিরাপদ নয় তাদের জন্য।








