সংবাদ বিশ্লেষণ

কাশ্মিরি অধ্যাপক কেন শরিয়াভিত্তিক সশস্ত্র পন্থায় আশ্রয় খোঁজেন?

বাধন অধিকারী
০৮ মে ২০১৮, ২০:০৮আপডেট : ০৯ মে ২০১৮, ০৯:৩৪

শরিয়াভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিন-এর পতাকাকে আশ্রয় করে কিছুদিন আগে কাশ্মিরের আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন বুরহান ওয়ানি। তার মতো শিক্ষিত-উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানের ‘শহীদ’ হওয়ার ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল ভারতবর্ষ। ৬ মে (রবিবার) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো খবর দিয়েছে, স্বাধীনতার লড়াইয়ে শামিল হয়ে ভারতীয় বাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন মোহাম্মদ রাফি ভাট নামের একজন কাশ্মিরি অধ্যাপক। সংবাদমাধ্যমের ভাষ্য, সমাজতত্ত্বের এই শিক্ষকও একই সংগঠনের পতাকাকে আশ্রয় করেছেন। কাশ্মিরের তিন যুগের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের রেকর্ড ঘেঁটে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আত্মাহুতি দেওয়া কাশ্মিরিদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে উচ্চশিক্ষিত। এই ঘটনা যে ভারতীয় স্টাবলিশমেন্টকে ভয়াবহভাবে ভাবিয়ে তুলেছে, সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে এরইমধ্যে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। মোহাম্মদ রাফি ভাট
রাফি'র পরিচিতজনরা স্মৃতি হাতড়ে বের করে এনেছেন তার যাপনের নানা তথ্য। সেখান থেকেই জানা গেছে, কার্ল মার্ক্সের বস্তুবাদী তত্ত্বে শনাক্তকৃত ধর্মের অবস্থান নিয়ে এক সময় তুমুল আলোচনায় মেতে থাকতেন সমাজবিজ্ঞানের এই মেধাবী শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও তার চমৎকার সম্পর্কের খবর মিলেছে সংবাদমাধ্যমে। ‘শহীদ’ হওয়ার আগে তিনি নিজেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে লিখে গেছেন শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হওয়ার কথা। এমন মানুষের সশস্ত্র শরিয়াভিত্তিক সংগঠনে ঝুঁকে পড়ার খবরে যারপরনাই বিস্মিত তার চেনাজানা মানুষেরা। পরিবারের অতীত ইতিহাসেও এমন নজির রয়েছে বলে রাফির বাবার অবশ্য তেমন বিস্ময় নেই। একই সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের পতাকাতলে শামিল হয়ে ‘শহীদ’ হয়েছিলেন রাফির দুই চাচাত ভাই। তবে রাফি যেন সেই পথ অনুসরণ না করে, তার জন্য চেষ্টার ঘাটতি ছিল না তার বাবার। ছেলেকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে চেয়েছেন তিনি। কাশ্মিরের অপরাপর বহু গরিব তরুণের মতো বেহাল অবস্থা ছিল না রাফির। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষকতার কথিত মহান পেশা রাফিকে সশস্ত্র পন্থার ঝোঁকমুক্ত রাখবে বলেই বিশ্বাস রাখতেন তার বাবা। তবে সেই বিশ্বাস ভেঙে পড়েছে পৃথিবীর অন্যতম সামরিকায়িত ভূখণ্ড জম্মু-কাশ্মিরে। মার্ক্সবাদী সমাজতত্ত্বের আলোচনায় মেতে থাকা রাফি শেষ পর্যন্ত শরিয়াভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠনকেই আশ্রয় করেছেন। আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে চলে গেছেন ‘মহান আল্লাহ’র সান্নিধ্যে।

কোথায় বসে মার্ক্সবাদ চর্চা করতেন রাফি? সেই জম্মু-কাশ্মিরের মাটিতে; মানবাধিকার সংস্থা, ইতিহাসবিদ আর রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে যে স্থানটি ক্রমেই ভারত-পাকিস্তানের সমরাস্ত্র প্রদর্শনের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের দাবি অনুযায়ী, ’৪৭-এর পর থেকে অন্তত পাঁচ লাখ কাশ্মিরি নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আরও ১০ লাখের মতো। খোদ সরকারি তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রভাবশালী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ১৯৯০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে কেবল ১১ বছরেই ৪৩ হাজার ৪৬০ জন কাশ্মিরি নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। আর মানবাধিকার কর্মীদের দাবি অনুযায়ী, ওই ১১ বছরে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা এক লাখেরও বেশি। বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও এক লাখ।

কাশ্মিরি অধ্যাপক কেন শরিয়াভিত্তিক সশস্ত্র পন্থায় আশ্রয় খোঁজেন? চার বছর পেছনে ফিরলেই মনে পড়ে কাশ্মিরেরই একজন নির্দোষ ব্যক্তি আফজাল গুরুর ফাঁসির কথা। কোনও রকম তথ্যপ্রমাণ লাগেনি। ন্যায়বিচারের বোধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ২০০১ সালে দিল্লির পার্লামেন্ট ভবনে হামলার ঘটনায় আফজাল গুরুকে ফাঁসিতে ঝোলায় ভারতীয় আদালত। সেই সময়ে ‘আফজাল গুরুর ফাঁসি ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য কলঙ্ক’ শীর্ষক নিবন্ধে সুবিখ্যাত ভারতীয় লেখক ও মানবাধিকারকর্মী অরুন্ধতী রায় আমাদের কাশ্মির চিনিয়েছিলেন। দ্য গার্ডিয়ানে তিনি লিখেছিলেন, ‘এটি একটি পরমাণু যুদ্ধক্ষেত্র এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সামরিকীকরণকৃত এলাকা। এখানে রয়েছে ভারতের পাঁচ লাখ সৈনিক। প্রতি চারজন বেসামরিক নাগরিকের বিপরীতে একজন সেনা! আবু গারিবের আদলে এখানকার আর্মি ক্যাম্প ও টর্চার কেন্দ্রগুলোই কাশ্মিরিদের জন্য ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রের বার্তাবাহক।’

সম্প্রতি এই সেনাসমাবেশ আরও বেড়েছে। পোল্যান্ডের ওয়ারসতে অবস্থিত সমাজবিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আগ্নিয়েস্কা কুশাস্কা বলছেন, বিজেপি সরকার দমননীতিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ডয়চে ভেলেকে গত বছরের মে মাসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ‘কাশ্মিরের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আন্দোলনের একাংশ আরও বেশি করে চরমপন্থী হয়ে উঠবে; যদি না ভারতের শাসক দল বিজেপি তাদের দমননীতি থেকে সরে আসে।’ বাস্তবে বিজেপির দমননীতি বন্ধ হয়নি। পোলিশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন-এর বোর্ড সদস্য এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের সদস্য আগ্নিয়েস্কার আশঙ্কাও তাই মিথ্যে হয়নি।

নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত এক বিদ্রোহী জানাজায় সমবেত জনতার একাংশ ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে সেক্যুলার স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে সশস্ত্র ইসলামি শরিয়াভিত্তিক রাজনীতির উত্থান এক দিনের ঘটনা নয়। অভ্যন্তরীণ দমননীতির পাশাপাশি এর নেপথ্য পাকিস্তানের জঙ্গি মদদও রয়েছে। ২০১৭ সালের ২২ মে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের সামরিক নীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, বৈশ্বিক জিহাদি মতাদর্শ কাশ্মিরে জেঁকে বসতে শুরু করেছে। এর নেপথ্য ইতিহাসের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আয়েশা বলেন, ৯/১১ এর হামলা পরবর্তী বছরগুলোতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকে। সেই সময় থেকেই ইসলামাবাদ ও কাশ্মিরের মধ্যকার সরবরাহ লাইন কোনও কোনও ক্ষেত্রে বন্ধ, কোনও কোনও ক্ষেত্রে সঙ্কুচিত করে তোলা হয়। এই প্রেক্ষাপটেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ কাশ্মিরে আশ্রয় নেওয়ার বাস্তব পাটাতন তৈরি হয়।

২০১৬ সালের ৮ জুলাই (শুক্রবার) ভারতীয় বাহিনীর হাতে প্রাণ হারান হিজবুল মুজাহিদিনের তৎকালীন কমান্ডার বুরহান মুজাফফর ওয়ানি। শিক্ষিত তরুণ বুরহান সশস্ত্র বিদ্রোহী কাশ্মিরের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীকে রূপান্তরিত হয়েছিলেন মৃত্যুর পর। শ্রীনগরের রাইজিং কাশ্মির পত্রিকার সম্পাদক সুজাত বুখারি সে সময় বিবিসিতে ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। বুরহানের প্রতি তরুণ কাশ্মিরিদের দুর্বার আকর্ষণবোধের নেপথ্য কারণের কথা বলতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের কথা। ওই নির্বাচনে পিপল’স ডেমোক্র্যাটিক পার্টি-পিডিপির মেহবুবা মুফতি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জোট গড়েছিলেন হিন্দুত্ববাদী শাসক দল বিজেপি’র সঙ্গে। সুজাতের মতে, এই ঘটনাই কাশ্মিরের জনগণের মধ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহের তাগিদ তৈরি করেছিল।

কাশ্মিরে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশন। সুজাত সেই সময় বিবিসি’তে বিশেষজ্ঞদের বরাতে বলেছিলেন, শাসক বিজেপির সঙ্গে নির্বাচিত সরকারের ঐক্য জনগণের মনে হতাশা সৃষ্টি করেছিল। তিনি লিখেছিলেন, ‘কাশ্মির সংকট সমাধানে কোনও রাজনৈতিক পন্থার অনুপস্থিতি সেখানে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। সেখানকার মানুষ মনে করেন, শাসক দল বিজেপি তাদের বাস্তব পরিস্থিতি উপেক্ষা করে যাচ্ছে, যা তাদের মনে চরমপন্থার ন্যায্যতা হাজির করে’। পুলিশ রেকর্ডেও সুজাতের মন্তব্যের প্রমাণ মেলে। পুলিশি নথি পর্যালোচনা করে বিবিসি সে সময় জানায়, ২০১৪ সালে যারা মেহবুবা মুফতির পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন, সেই তাদের একটা বড় অংশ বুরহান ওয়ানি’র দ্বারা উদ্বুদ্ধ। তারাই ঝুঁকেছে সশস্ত্র পন্থায়।   

সুজাত বিবিসি’কে জানিয়েছিলেন, বুরহান ছিলেন শিক্ষিত উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। অন্য সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মতো করে মুখোশের আড়ালে মুখ ঢেকে রাখেননি তিনি। ২০০৮ ও ২০১০ সালে কাশ্মিরীদের ওপর ভারতীয় বাহিনীর তীব্রতর দমনপীড়নের স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নেমেছিলেন আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার দাবিতে। বুরহানের মৃত্যুর পরের দিন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় টুইটার পোস্টে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে বুরহান যতো মানুষকে জঙ্গিবাদে ভেড়াতে পারতেন, তার চেয়ে অনেক বেশি মানুষেকে যুক্ত করতে পারবেন কবর থেকে।’ ঘটনাকে সত্য প্রমাণ করে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট তাদের শিরোনাম লেখে: বুরহানের মৃত্যু উজ্জ্বীবিত করেছে এক নতুন ধারার সশস্ত্র প্রতিরোধকে, হাতে বন্দুক তুলে নিচ্ছে তরুণরা। ৭ মে অধ্যাপকের ‘শহীদ’ হওয়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ৮ মে (মঙ্গলবার) সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি খবর দিয়েছে, অভ্যন্তরীণ সশস্ত্রপন্থীদের তৎপরতায় কাশ্মিরে উদ্বেগ বাড়ছে। কাশ্মির বিশ্লেষক শেখ শওকত হুসাইন তাই ওয়াশিংটন পোস্টকে যথার্থই বলেছেন, রাফির জঙ্গিবাদে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তে কাশ্মিরি তরুণদের মনে ভারতীয় সরকারে বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভেরই প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘তরুণদের মনে একটা পরিবর্তন এসেছে। তারা ভাবছে, ব্যাপক বিক্ষোভও কোনও কাজে আসছে না। তাই স্বাধীনতা পেতে তাদের অস্ত্র ধরতে হবে।’

/এমপি/
সম্পর্কিত
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক