বংশগতি নয়, বরং শৈশবের পরিবেশই নির্ধারণ করে পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরনের (পুরুষ হরমোন) মাত্রা। ব্রিটেনের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেদেশে বড় হওয়া বাংলাদেশি ও সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিটেনে অভিবাসী হওয়া বাংলাদেশিদের নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা পরিচালিত হয়। শনিবার (৩০ জুন) প্রকাশিত ওই গবেষণার ফলাফলে পাওয়া তথ্য এমনটাই প্রমাণ করেছে।
ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট গবেষকের মতে, প্রতিকূল পরিবেশ বিশেষত দারিদ্র্য অথবা সংক্রামক ব্যাধি ছড়ায়, এমন স্থানে বেড়ে ওঠা পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে ওঠা পুরুষের তুলনায় কম।
‘ন্যাচার ইকোলজি ও এভ্যুলেশন’ শীর্ষক জার্নালে প্রকাশিত এই সমীক্ষাটি রাগ ও ক্ষোভের অনুঘটক টেস্টোস্টেরনের মাত্রা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত— এমন মতবাদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
ওজন, উচ্চতা, এবং বয়ঃসন্ধি প্রাপ্তির বয়স বিবেচনায় সমীক্ষাটি ৩৫৯ জন পুরুষের লালা পরীক্ষায় প্রাপ্ত টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অভিবাসী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, প্রাপ্তবয়সে যুক্তরাজ্যে স্থানান্তরিত এবং ব্রিটেনের বংশোদ্ভূত ইউরোপিয়ান—এই চারটি দলের পুরুষের দেহে প্রাপ্ত টেস্টোস্টেরন গবেষণায় ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা পাওয়া গেছে।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়— ব্রিটেনে বসবাসকারী প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা, বাংলাদেশি পুরুষের চেয়ে বেশি।








