পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এগিয়ে থাকা সাবেক ক্রিকেটার ও তেহরিক ই ইনসাফ দলের শীর্ষ নেতা ইমরান খানের বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ আমলে নিয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রমাণ হলে বাতিল হতে পারে তার ভোট।
বুধবার সকালে জাতীয় পরিষদের ৫৩নম্বর আসনের একটি ভোট কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান। এই নির্বাচনকে পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে সব ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ভোটকেন্দ্রে সংবাদমাধ্যমের সামনে ব্যালট পেপারে সিল দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ আমলে নিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনি গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণ হলে তার ভোট বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।
প্রায় ১০ কোটি ৬০ লাখ ভোটার বুধবারের সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায়। তার একঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ শুরু হবে। রাত দুইটার দিকে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানে এমন সময় এই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন দুর্নীতির দায়ে আদালত কর্তৃক অযোগ্য ঘোষিত হয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ। লন্ডনের ফ্ল্যাট ক্রয় সংক্রান্ত এক দুর্নীতির মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষিত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, নওয়াজকে নির্বাচন পর্যন্ত কারাগারে রাখতে সে দেশের সেনাবাহিনী ও বিচার বিভাগ এক হয়ে কাজ করেছে।








