সংঘর্ষ, সহিংসতা আর শতাধিক হতাহতের মধ্য দিয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে এককভাবে সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী হয়েছে ইমরান খানের দল পিটিআই। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, পিটিআই পেয়েছে ১১৯টি আসন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ পেয়েছে ৬১টি আসন। ৪০টি আসন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বিলাওয়াল ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি। পাকিস্তানজুড়ে এখন আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে নির্বাচনে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ আর কারচুপির অভিযোগ। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ২০১৩ সালের চেয়ে এবারের নির্বাচন ভালো হয়েছে। সেনাবাহিনী কঠোরভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দলের সদস্য মাইকেল গালাগহের বলেছেন, পাকিস্তান সরকার তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। নির্বাচন প্রক্রিয়া মসৃণ ও শান্তিপূর্ণ ছিল। বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়েছেন।
এদিকে পাকিস্তানের মূলধারার রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ, পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে প্রাথমিক ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। দলগুলোর পক্ষ থেকে মূলত তাদের পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে থাকতে না দেওয়া ও তাদের হাতে ভোট গণনার পর পাওয়া ফলাফল না দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
পাকিস্তান মুসলিম লীগের (পিএমএল-এন) সভাপতি শাহবাজ শরিফ এক টুইটার বার্তায় লিখেছেন, ব্যাপকমাত্রায় অনিয়মের ঘটনার স্পষ্ট প্রমাণ থাকায় পিএমএল-এন ২০১৮ সালের নির্বাচনের এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছে। আমাদের কর্মীদের ফরম-৪৫ দেওয়া হয়নি, ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের পোলিং এজেন্ট ছাড়াই ভোট গণনা করা হয়েছে। এটা না সহ্য করার মতো, আর না গ্রহণযোগ্য।
পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি একই অভিযোগ তুলেছেন। তার ভাষ্য, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার ঘটনাটি ‘ভয়ঙ্কর ও ক্ষমার অযোগ্য।’ সূত্র: ডন, সামা টিভি।








