পাকিস্তানের নতুন বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনে আলোচনা শুরু করেছে নওয়াজ শরিফের দল মুসলিম লীগ এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর দল পিপিপি। বুধবার পিপিপি’র একজন কর্মকর্তা পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন’কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়নি। তবে শিগগিরই এ ব্যাপারে আলোচনা শুরু হবে।
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) এক নেতা ডনকে বলেন, সিনেট ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনে মুসলিম লীগের কাছে যেকোনও একটি চাইবে পিপিপি। দুই পদের একটি যেন তারা ছেড়ে দেয় তার আহ্বান জানানো হবে।
পার্লামেন্টে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে মুসলিম লীগ ও পিপিপি’র সুসম্পর্ক রক্ষারও তাগিদ দেন এই রাজনীতিক।
মুসলিম লীগের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মুশাহিদুল্লাহ খান ডনকে বলেন, বিরোধী দলগুলোর সম্মিলিত বৈঠকে এ বিষয়টি তোলা হবে। তবে শুধু দুইজন বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনের মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং সিনেটের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচন এবং প্রাদেশিক পরিষদগুলোতে সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হবে।
এদিকে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আগামী ১১ আগস্ট শপথ নেবেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান। পিটিআই মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি বিশিষ্টজনদের যোগদান সম্পর্কিত যে খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। প্রেসিডেন্ট ভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান হবে সাদামাটা।
তিনি বলেন, কোনও বিদেশি ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা হবে সম্পূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠান। শুধু ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ কিছু বিদেশি বন্ধু আমন্ত্রণ পাবেন। আয়োজনে কোনও অপচয় বা সীমালঙ্ঘন থাকবে না।








