ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জেয়ার বলসোনারো ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রিওডি জেনিরো থেকে ২০০ কিলোমিটার উত্তরের শহর জুইজ দে ফোরাতে নির্বাচনি সমাবেশ করার সময় এক দুর্বৃত্ত তাকে ছুরিকাঘাত করে। ব্রাজিল পুলিশ জানিয়েছে, ৬৩ বছর বয়সী ওই রাজনীতিবিদের পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে।
সোশ্যাল লিবারেল পার্টি (পিএসএল) এর নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলসোনারো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কট্টর ডানপন্থী এ নেতার লাখ লাখ অনুসারী রয়েছে। অনেকে তাকে ‘ব্রাজিলীয় ট্রাম্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন শিথিল করার পক্ষপাতী বলসোনারো। গর্ভপাতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে তার।
বৃহস্পতিবার জুইজ দে ফোরা শহরে নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেন জেয়ার বলসোনারো। সমাবেশে অজ্ঞাত এক হামলাকারী বলসোনারোর পেটে ছুরিকাঘাত করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বলসোনারোকে পাকস্থলীর নিম্নভাগে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পরে ওই দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ব্রাজিলের ২৪ ঘণ্টার সংবাদভিত্তিক চ্যানেল গ্লোবো নিউজকে উদ্ধৃত করে আল জাজিরা জানায়, বলসোনারোকে জুইজ দে ফোরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেস তার অস্ত্রোপচার হয়েছে। হামলার কারণে লিভাবে ‘বড় ধরনের’ আঘাত পেয়েছেন বলসোনারো।
ব্রাজিলে আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ইন্সটিটিউট অব পাবলিক অপিনিয়ন অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস (আইবোপ) এর জরিপে দেখা গেছে, প্রথম দফার নির্বাচনে ২২ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে থাকবেন বলসোনারো। সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জনপ্রিয় বামপন্থী নেতা দ্য সিলভা নির্বাচনে নিষিদ্ধ হওয়ার পর বলসোনারোর এমন অবস্থান তৈরি হয়েছে। এর আগের জনমত জরিপগুলোতে এগিয়ে ছিলেন সিলভা। বতর্মানে একটি দুর্নীতির মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন তিনি।








