খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে ফ্রান্স

বিদেশ ডেস্ক
২০ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:২৮আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:৪৭

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের জের ধরে সৌদি আরবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছে ফ্রান্স। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন ইয়েস লো দ্রিয়ান বলেন, আমরা যা জানি তার ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুতই নিষেধাজ্ঞা জারি করবো।’

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি

 

যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা ও ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট খাশোগি গত ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। এই ঘটনার পর সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে তাকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিশ্বজুড়ে। খাশোগির নিখোঁজের ঘটনায় নানা বিভ্রান্তিমূলক বর্ণনা হাজিরের প্রায় ১৫ দিন পর খাশোগিকের হত্যার কথা স্বীকার করে সৌদি আরব। রিয়াদের তরফ থেকে দাবি করা হয়, সৌদি আরবে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় তাকে হত্যা করে কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার সৌদি পাবলিক প্রসিকিউটরের দফতর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর ধস্তাধস্তির পর হত্যা করা হয় খাশোগিকে। ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ১৭ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জার্মানিও জানিয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞর কথা।

এবার ফ্রান্সের পক্ষ থেকেও একইরকম ঘোষণা এলো। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের খুঁজে বের করতেই হবে। তিনি জানান, ফ্রান্স ও জার্মানি এই বিষয়ে সহযোগিতা করছে।

কাতার, কানাডা, ইয়েমেন যুদ্ধ এবং সংবাদকর্মীদের ওপর দমনাভিযান নিয়ে সৌদি নীতির কড়া সমালোচক ছিলেন জামাল খাশোগি। ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে ভ্রমণ এবং সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি। আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী লড়াই নিয়ে লেখালেখি করতে তিনি ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে বিন লাদেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ১৯৯০ দশকের প্রথম দিকে তিনি বিন লাদেনের সঙ্গে সৌদি রাজপরিবারের বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। লাদেনকে সুদান থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিজ দেশে ফেরার অনুরোধ জানালেও আল কায়েদা নেতা তা প্রত্যাখ্যান করেন।

/এমএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না পানির বোতল
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না পানির বোতল
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম