ইউক্রেনের সঙ্গে উত্তেজনার চরমেই বিরোধপূর্ণ ক্রিমিয়া দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া। বুধবার মস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা ক্রিমিয়ায় আরও বেশ কয়েকটি আধুনিক এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করার পরিকল্পনা করছে।
রবিবার রাশিয়া ইউক্রেনের বারডিযানস্ক এবং নিকোপল যুদ্ধজাহাজ এবং দি ইয়ানা কাপা জাহাজ জব্দ করেছে। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়া জাহাজের পথ আটকাতে চেষ্টা করে, যদিও এরপর নৌযানগুলো কের্চ স্ট্রেইটের উদ্দেশ্যে চলছিল কিন্তু ট্যাংকার দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়। এছাড়া রুশ বাহিনীর গুলিতে জাহাজে থাকা ৬ সেনা আহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইউক্রেন। আর রাশিয়ার অভিযোগ, নৌযানগুলা অবৈধভাবে তাদের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল এবং নিরাপত্তার কারণে ওই পথে চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। এ ঘটনার পর রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের পাশাপাশি ইউরোপেরও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আর রাশিয়ার এমন আচরণের পর দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছে ইউক্রেন। ২৮ নভেম্বর থেকে ৩০ দিনের জন্য সামরিক শাসনও জারি করা হয়েছে দেশটিতে।
২০১৪ সালে ইউক্রেন থেকে দখলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই ক্রিমিয়াতে সামরিকায়ন করে চলেছে রাশিয়া। বুধবারে সেখানে রুশ নৌবাহিনীর মাইনসুইপার জাহাজও দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সেখানে অবস্থান করা এক রুশ সাংবাদিক।
রুশ বার্তা সংস্থাগুলো দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ভাদিম আস্তায়েফকে উদ্ধৃত করে জানায়, চলতি বছরের শেষেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে।
ক্রিমিয়ায় ইতোমধ্যে রাশিয়ার তিন ব্যাটালিয়ন বিমান প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে। নতুন ব্যবস্থা মোতায়েনের মাধ্যমে সমুদ্রে নিজের কর্তৃত্ব আরও জোরদার করবে রাশিয়া।








