মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চিকে দেওয়া পুরস্কার প্রত্যাহার করে নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম মানবাধিকার সংগঠন ‘মে ১৮ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন। ২০১৪ সালে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিলো।
গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭ লাখ মানুষ। সম্প্রতি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা নিপীড়নের ঘটনায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করা হয়েছে। এছাড়া বেসামরিক সর্বোচ্চ নেতা অং সান সু চিরও সমালোচনা করে বলা হয়েছে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ ঠেকাতে নিজের নৈতিক অবস্থান ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গা নিপীড়ন প্রশ্নে নীরব ভূমিকার কারণে শুরু থেকেই সমালোচিত হয়ে আসছেন সু চি। বার বারই উঠেছে তার নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবি। তবে সু চি’র নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারে রাজি নয় নোবেল ফাউন্ডেশন। তবে এর মধ্যে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি তাদের দেওয়া সম্মাননা ফিরিয়ে নিয়েছে।
২০১৪ সালে সামরিক জান্তার হাতে গৃহবন্দি থাকায় সুকি ওই সময় গোয়াংঝু মানবাধিকার পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। তার দল মিয়ানমারের ক্ষমতা গ্রহণের পর শান্তিতে নোবেল জয়ী এ নেত্রী স্টেট কাউন্সিলরের উপাধি পান।
মেমোরিয়েল ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র চো জিন-তায়ে এএফপি’কে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার ব্যাপারে তার উদাসীনতা এ পুরস্কারের মূল্যবোধ পরিপন্থী।’ তিনি জানান, এর ফলে ফাউন্ডেশনের বোর্ড সোমবার সু চির এ পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।








