যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত আবারও বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রতিবেশি দেশ মেক্সিকো অবৈধ অভিবাসীদের অবাধে সীমান্ত অতিক্রমের সুযোগ দিচ্ছে। এ কারণে ‘দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হতে পারে।’
মেক্সিকো সীমান্তে স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ ছিল ট্রাম্পের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি। নির্মাণ কাজ শুরু করতে চলতি বছর কংগ্রেসের কাছে ৫৭০ কোটি ডলার চেয়েছিলেন তিনি। তবে সে টাকা দিতে সম্মত না হওয়ায় কংগ্রেসের অনুমোদন দেওয়া অস্থায়ী বাজেট বরাদ্দে স্বাক্ষর করেননি ট্রাম্প। সেকারণে ৩৫ দিন অচল হয়ে থাকে মার্কিন কেন্দ্রীয় সরকারের একাংশ। সর্বশেষ অস্থায়ী বাজেটে স্বাক্ষর করে সরকার সচল রাখলেও তাতে দাবিকৃত অর্থ বরাদ্দ না পেয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণার পথে হাঁটেন ট্রাম্প। যুদ্ধ কিংবা জাতীয় জরুরি অবস্থাজনিত পরিস্থিতির মধ্যে সামরিক নির্মাণ প্রকল্পগুলো পরিচালনার এখতিয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্টের রয়েছে। কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে সে সাংবিধানিক ক্ষমতাই ব্যবহার করেন ট্রাম্প। এর আওতায় মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের কাজ পরিচালিত হবে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রবেশ করতে চাওয়া অবৈধ অভিবাসীর ঢল বন্ধে সহযোগিতা করার ব্যাপারে মেক্সিকো কিছুই করছে না। এ ব্যাপারে তারা সবকিছু করার কথা বললেও বাস্তবে দেশটি কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’ একইভাবে হন্ডুরাস, গুয়েতেমালা ও এল সালভাদর বছরের পর বছর ধরে আমাদের অর্থ নিলেও তারাও কিছু করছে না যা খুবই খারাপ বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
অন্যদিকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদর ট্রাম্পের এমন সমালোচনা প্রত্যাখান করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা অনেক কিছুই করছি।’ তিনি বলেন, এক্ষেত্রে ‘আমাদের যা কিছু করার সুযোগ রয়েছে আমরা তার সবকিছু করছি। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমরা কোনভাবে বিরোধে জড়াতে চাই না।’
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো পৃথক দু’টি দেশ হলেও তাদের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক থাকায় বিশ্বের ব্যস্ততম সীমান্তগুলোর অন্যতম হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত।








