ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র তাণ্ডব মোকাবিলায় ভারতের কলকাতায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যেই কলকাতার সর্বোচ্চ বহুতল ভবন 'দ্য ৪২' খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খুলে নেওয়া হয়েছে শহরের রাস্তায় থাকা যাবতীয় হোর্ডিং।
নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একাধিক অফিসেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনদিন বন্ধ থাকবে ইকো পার্কের সব রাইড, বন্ধ থাকবে চিড়িয়াখানা।
এক্সিস, কোয়েস্ট-সহ শহরের একাধিক শপিং মল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে বাতিল হয়েছে শো।
ভারতের আরেক রাজ্য ওড়িশায় ইতোমধ্যেই ফণী-র তাণ্ডবে অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থানে উপড়ে গেছে গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। বেশকিছু স্থান বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাতিল করা হয়েছে অনেক ফ্লাইট ও ট্রেন সূচি।
১৯৯৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী। এর তাণ্ডব মোকাবিলায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কলকাতা বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ১১ লাখ মানুষকে।
ফণী-র তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ওড়িশার পুরী উপকূল। ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো বাতাসের তাণ্ডবে সেখানে ধ্বংস হয়ে গেছে একাধিক স্থাপনা, গাছপালা উপড়ে পড়েছে। সূত্র: জি নিউজ, এনডিটিভি।








