ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে কারাগার থেকে শতাধিক বন্দি পালিয়ে গেছে। শনিবার সকালে সেখানে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরই এই কয়েদিরা পালিয়ে যান। বিক্ষোভ ও পরবর্তীতে আগুন লাগিয়ে তারা পালানোর সুযোগ সৃষ্টি করে।
কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ইন্দোনেশিয়ায় নতুন নয়। গত বছরে একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের মে মাসে রিয়াও প্রদেশে গণ প্রার্থনার পর জনাকীর্ণ একটি কারাগার থেকে পালিয়েছিল প্রায় ৪০০ বন্দি। এছাড়া ২০১৩ সালের জুলাই মাসে সুমাত্রা প্রদেশের রাজধানী মেদান কারাগারে প্রাণঘাতী দাঙ্গার পর পালিয়ে ছিলো ২৪০ বন্দি।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে শনিবারের পালিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ভোরবেলা সুমাত্রার সিয়াক জেলার ওই কারাগারে দাঙ্গা বেঁধে যায়। এরপর সেখানে আগুন ধরে গেলে কয়েদিরা পালিয়ে যায়।
ইতোমধ্যে পালানো কয়েদিকে ধরতে পুলিশ ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। রিয়াউ প্রদেশের পুলিশ প্রধান উইদোদো একো প্রিহাস্টোপো বলেন, পলাতক কয়েদিকে ধরতে কর্তৃপক্ষ বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে। দুপুর নাগাদ ১শ ১৫ কয়েদিকে পুনরায় আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এখনো বেশ কয়েকজন কয়েদি পলাতক রয়েছে। এই কারাগারে প্রায় ৬৫০ কয়েদিকে আটক রাখা ‘পুলিশ সেনাবাহিনী ও আশপাশের বাসিন্দাদের সহায়তায় এখনো বাকি পলাতক আসামিদের ধরতে তল্লাশি চালাচ্ছে।’








