ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে আবারও সৌদি আরবের সমর্থন চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে আলাপকালে এই সমর্থন চান ইরানে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত ব্রায়ান হুক। এক টুইটে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রিন্স খালিদ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে পরমাণু নিয়ন্ত্রণবিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু গত বছর ইউরোপীয় মিত্রদের বাধা সত্ত্বেও ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে ইরানের ওপর তেল রফতানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলার মধ্যেই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার বৈঠকে তারা এই অঞ্চলে সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আরব উপসাগরে দুটি ট্যাংকার বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব ইরানকে দায়ী করছে। আর সেই অভিযোগ অস্বীকার করছে ইরান। এক টুইটবার্তায় প্রিন্স খালিদ জানান, ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে সৌদি আরবের সমর্থন চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনার প্রেক্ষিতে ইরানে সামরিক হামলার নির্দেশ দিয়েও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পিছিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস। এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, রাডার ও মিসাইল ব্যাটারি লক্ষ্য করে সামরিক হামলার অনুমতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। প্রস্তুত ছিলো সামরিক বিমান ও জাহাজও। তবে শেষ মুহূর্তে অভিযান বাতিল করেন ট্রাম্প নিজেই।








