কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলে অন্তত আট জন নিহত হয়েছে। শনিবার ভোরে এই ভূমিকম্পের আঘাতে অপর প্রায় ৬০ জন আহত হয়েছে। বাতানিস প্রদেশের দুর্যোগ প্রশমন বিভাগের প্রধান রোলদান এসদিকাল জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে কাঠ ও পাথরের বাড়ি ভেঙে পড়তে শুরু করলে আতঙ্কিত মানুষ ঘুম থেকে উঠে বাইরে বেরিয়ে আসে।
ফিলিপাইনের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, ৫ দশমিক ৪ ও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প শনিবার সকালে আঘাত হানে।
মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে রোলদান এসদিকাল বলেন, ‘আমাদের বিছানা ও সবকিছু দোলনার মতো একপাশ থেকে আরেক পাশে দুলতে শুরু করে। নিরাপত্তার জন্য আমরা দৌড়ে বাইরে বের হয়ে আসি’।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ইতবায়াত দ্বীপ। মৎস্যজীবী অধ্যুষিত এই দ্বীপের অন্তত এক হাজার বাসিন্দাকে নিজেদের বাড়ি না ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আফটার শকের আশঙ্কায় তাদের নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হয়েছে বলে জানান রোলদান এসদিকাল।
ভূমিকম্পে ইতবায়াত দ্বীপের হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্থ হলেও তা সচল রাখা হয়েছে। বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ও একটি বিমান আহতদের আনা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বাতানিস দ্বীপপুঞ্জের একটি ইতবায়াত। প্রায় দুই হাজার আটশো মানুষের বাস এই দ্বীপে। ফিলিপাইন ও তাইওয়ানকে বিভক্তকারী লিউজন প্রণালীতে অবস্থিত দ্বীপটি কোরাল দেয়াল ও পাথরের তৈরির বাড়ির জন্য বিখ্যাত।








