আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। তবে তালেবান নির্বাচন বর্জন করায় ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে সেনা ও পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর তিন লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বাড়তি নিরাপত্তার মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহার নগরীতে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই দেশটির পাঁচ হাজার ৩৭৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯০১টির সঙ্গে তারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
আল জাজিরা জানিয়েছে, বিকাল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও ভোটার উপস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দুই ঘণ্টা সময় বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। ১৯ অক্টোবর নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার কথা রয়েছে। আফগানিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে প্রদত্ত ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাওয়ার বাধ্যবাধতা রয়েছে।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৩ জন প্রার্থী। তবে দৃশ্যত মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এবং প্রধান নির্বাহী আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ-র মধ্যে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও তারাই মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। তখন দুই প্রার্থীই পরস্পরের বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন।
এবারের নির্বাচনেও ইতোমধ্যেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শাহলা নামের এক নারী ভোটার জানিয়েছেন, কাবুলের নাদেরিয়া হাই স্কুলে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে সেখানে দায়িত্বরত নির্বাচনকর্মীরা তাকে জানিয়েছেন, তার ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। সূত্র: আল জাজিরা, টেলিগ্রাফ।








