ভূমি থেকে সাগরে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে পাকিস্তান। কাশ্মির নিয়ে ভারতের সঙ্গে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্যেই ‘যবর’ নামের ওই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় তারা। দেশটির নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মাহমুদ আব্বাসি বলেন, দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রটি আরব সাগরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অ্যাডমিরাল মাহমুদ আব্বাসি সফল এই পরীক্ষার পর বিজ্ঞানী, প্রকৌশলীসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনী শত্রুর যে কোনও অপতৎপরতা মোকাবিলার ক্ষমতা রাখে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমরা সদাপ্রস্তুত রয়েছি।’
পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধান আরও বলেন, ‘নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৭০০ কিলোমিটার এবং সাগর শত্রুর জাহাজ ধ্বংসের লক্ষ্যেই এটি তৈরি করা হয়েছে।’
যুদ্ধের আশঙ্কায় বহু বছর ধরে এক ধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতা চালিয়ে আসছে ভারত-পাকিস্তান।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানই বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা দেশটির নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর বদলে ক্ষুদ্র পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে পাকিস্তান। এ জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্র খুব নিচু দিয়ে উড়ে যায় বলে ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইমরান খানের সরকার ক্ষমতায় আসার পর নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর জোর দিচ্ছে তারা।








