সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে চ্যালেঞ্জ করা ৬০টি আবেদনের শুনানি শেষে কেন্দ্রীয় সরকারের জবাব চেয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে ওই আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাখ্যা জানতে চায় আদালত। এছাড়া আইনটি কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হলেও আদালত তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আদালতের আদেশে বলা হয়, আইনটি কেন স্থগিত করতে হবে তা আগে দেখতে হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে নিপীড়নের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতে সম্প্রতি আইন সংশোধন করেছে ভারত। গত ১২ ডিসেম্বর রাতে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পরেই আইনে পরিণত হয়েছে বিতর্কিত বিলটি। এই বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে সরব একাধিক রাজনৈতিক দল। বিরোধীরা এই আইনকে ‘মুসলিমবিরোধী’ বলে আখ্যা দিয়েছে। চলছে দফায় দফায় আন্দোলন।
রাজপথে বিক্ষোভের পাশাপাশি সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে চ্যালেঞ্জ করা ৬০টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবার এসব মামলার শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে ভেনুগোপালকে এই আইনের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যম ব্যবহারের পরামর্শ দেয় আদালত।
এর আগে মঙ্গলবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যা কিছুই ঘটুক ওই আইন বাস্তবায়ন থেকে পিছু হটবে না সরকার। দিল্লির দারকায় এক নির্বাচনি সভায় তিনি বলেন, যা কিছুই ঘটুক মোদি সরকার এসব শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব ও ভারতীয়দের মতো সম্মান নিশ্চিত করবে’।








