ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর চালু হচ্ছে মোবাইল মেসেজ সার্ভিস। নতুন বছরের প্রথম দিনেই মঙ্গলবার মধ্যরাতে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া রাজ্যের হাসপাতালগুলোতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ইন্টারনেট সুবিধা। তবে এখনও সাধারণ জনগণ থাকছে ইন্টারনেট সেবা থেকে দূরে।
২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মিরের বিশেষ অধিকার ও স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নিয়ে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ভাগ করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সেখানে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে প্রশাসন। বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা রদের সময় থেকে ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে আটক করা হয়েছিল সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্য নেতাদের। সীমিত করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট ও মোবাইল সুবিধা।
কেন্দ্রীয় সরকারের মুখপাত্র রোহিত কানসাল এই শিথিলতার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নতুন বছরে লখনপুর পোস্টে পর্ণের ওপর টোল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। টোল অ্যাক্ট সম্ভাত-১৯৫ এর ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেন তারা। তার দাবি, সেই অঞ্চলের ট্রাকচালকদের অনেকদিনেরই দাবি ছিলো এটা। আর এই টোলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলো জম্মু-কাশ্মির ট্রান্সপোর্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।
এর আগে সোমবার প্রায় পাঁচ মাস কারাবন্দি থাকার পর শ্রীনগর থেকে ন্যাশনাল কনফারেন্সের ইশফাক জব্বার ও গুলাম নবী ভাট, কংগ্রেসের বশির মির এবং পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাহুর মির ও ইয়াসির রেশিকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে এখনও কাশ্মিরের সাবেক তিন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ, তার ছেলে ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।








