পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ‘নাগরিক দিবস’ হিসেবে পালন করেছে দলটি। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা দলটি এখন ভারতের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। মোদি সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন ও নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) বিরুদ্ধে আন্দোলনে নজর কেড়েছেন তৃণমূল নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দৃশ্যত এ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিণত হয়েছেন তিনি। বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধীদের জোট বাঁধার ডাক দিয়েছেন তিনি।
এবারের ১ জানুয়ারি তৃণমূলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দিনটিকে ‘নাগরিক দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।
টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে মমতা বলেন, ‘আমরা সবাই নাগরিক এবং তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে। জয় হিন্দ। জয় বাংলা। তৃণমূল কংগ্রেস আজ ২২-এ পা দিল। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি যে যাত্রা শুরু হয়েছিল অনেক বাধার মধ্যে। কিন্তু মানুষের জন্য লড়াইয়ে আমাদের সংকল্পে আমরা অটল ছিলাম। মা-মাটি-মানুষকে আমরা ধন্যবাদ জানাই তাদের লাগাতার সমর্থনের জন্য। আমাদের কর্মীরা আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।’
গত সপ্তাহেই মমতা দিবসটির ব্যাপারে কর্মীদের দলীয় নির্দেশনার কথা জানিয়ে দেন। সে অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে পতাকা উত্তোলন ও পথসভার আয়োজন করা হয়। এসব সভায় দলের প্রাপ্তি ও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন তৃণমূল নেতারা।
বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে গোড়া থেকেই সরব মমতা। রাজ্যে লাগাতার এই আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন তিনি।
১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা তৃণমূল ২০১১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসে। ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র: এনডিটিভি।








