মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার ঘটনায় নীরব থাকায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বিশ্বনেতারা এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বললেও সেসময় ছুটিতে ছিলেন বরিস।
শুক্রবার ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রকেট হামলা চালিয়ে সামরিক কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ৬২ বছর বয়সী জেনারেল সোলাইমানি মার্কিন কূটনীতিক ও নাগরিকদের ওপর শিগগিরই মারাত্মক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিলেন। এরপর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শঙ্কা দেখা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধের।
কিন্তু এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে নিজের ছুটি সংক্ষিপ্ত করেননি বরিস। ব্রিটিশ সরকার জানায়, রবিবার যুক্তরাজ্যে ফিরবেন তিনি। এর মধ্যে ওয়াশিংটন গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব। আলোচনা হবে মধ্যপ্রাচ্য নিয়েই।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা হলেও তাদের পরম মিত্র যুক্তরাজ্য এখনও সরাসরি ওয়াশিংটনের পক্ষে কোনও কথা বলেনি। ইতোমধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও অভিযোগ করেছেন ইউরোপ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি তারা।
যুক্তরাজ্যের ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমিলি থর্নবেরি বলেন, এটা অবাক করা ব্যাপার যে বরিস এখনও কোনও মন্তব্য করেননি। কারণ সাম্প্রতিক ঘটনায় ইরাক কিংবা সিরিয়া যুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে।
লিবারেল ডেমোক্রেটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান এড ডেভি বলেন, বরিসের এই নীরব থাকা আপত্তিকর। প্রধানমন্ত্রীর এখনই কথা বলা উচিত। এবং বলা উচিত যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বারবার ভুল করলে তারা ব্রিটেনকে পাশে পাবে না।
স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির নেতা ইয়ান ব্যাকফোর্ড বলেন, জনসনের নীরব থাকাটা ‘অস্বাভাবিক’। এই মুহূর্তে একটি অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দেওয়া যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব।








