ইরানের নিরাপত্তা বিষয়ক সর্বোচ্চ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা অচিরেই একথা উপলব্ধি করবে যে, তাদের হামলায় নিহত জেনারেল কাসেম সোলাইমানি তার জীবিত অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর।’ তেহরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি রবিবার তার দফতরে সিরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী মামলুকের সঙ্গে এক বৈঠকে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
জেনারেল সোলায়মানি হত্যায় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পক্ষ থেকে শোক জানাতে তার বিশেষ দূত হিসেবে ইরান সফরে গিয়েছেন আলী মামলুক।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোররাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বিমান হামলা চালিয়ে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করে মার্কিন সেনারা। ওই হামলায় ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবি’র উপ প্রধান আবু মাহদি আল-মুহানদিস’সহ মোট ১০ জন নিহত হন। সোলাইমানি হত্যা প্রশ্নে ইরানের অবস্থান বর্ণনা করতে গিয়ে আলী শামখানি বলেন, ইরান অবশ্যই এই অপরাধযজ্ঞের জবাব সামরিক উপায়ে দেবে; তবে জবাব শুধু সামরিক পদক্ষেপে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
রবিবার ইরাকি পার্লামেন্ট অধিবেশনে এমপিরা সেখান থেকে এসব মার্কিন সেনাকে প্রত্যাহারে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে ইরাকের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদীও মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পক্ষে মতামত দেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে ইরানের নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান আলী শামখানি বলেন, বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার পর ইরাকে মার্কিন সেনা থাকতে পারবে না। যদি থাকে তবে তারা দখলদার সেনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। কারণ, এতদিন ইরাক সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল।








