সিরিয়ায় আইএসবিরোধী যুদ্ধে জার্মানির যোগ দেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি দিলো সেদেশের চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের মন্ত্রিসভা। এদিকে সুন্নিপন্থি সশস্ত্র ওই সংগঠনের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাতে মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে যুক্তরাজ্য। বার্তা সংস্থা এপি খবরটি নিশ্চিত করেছে।
মঙ্গলবার জার্মান মন্ত্রিসভায় পাস হওয়া প্রস্তাব পার্লামেন্টের অনুমোদন পেলে জার্মানির টর্নেডো জেট, রিফুয়েলিং এয়ারক্র্যাফট, একটি ফ্রিডট এবং ১২০০ সৈন্য আন্তর্জাতিক বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবে। জার্মান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বুনডেসটাগে বুধবার এ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৩ নভেম্বর প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলায় ১৩০ জন নিহত হওয়ার পর ফ্রান্সের পক্ষ থেকে অনুরোধ পাওয়ার পর বার্লিনের এই সিদ্ধান্ত এলো। সুন্নিপন্থি সশস্ত্র সংগঠন আইএস ওই হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। ২৫ নভেম্বর প্যারিসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর মার্কেল উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফ্রান্সের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।
এদিকে সিরিয়ায় বিমান হামলা চালাতে নিজ মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। এ নিয়ে বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১০ ঘণ্টার বিতর্ক হবে। তবে সেই বিতর্ক কেবলই এক আনুষ্ঠানিকতা বলে আভাস দিয়েছে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।
লেবার নেতা জেরেমি করবিনের অনাগ্রহ সত্ত্বেও তার দলের একাংশও আইএসবিরোধী বিমান হামলাকে সমর্থন দেবেন বলে আভাস দেওয়া হয়েছে গার্ডিয়ানের খবরে। সেক্ষেত্রে ক্যামেরন হাউস অফ কমন্সে ওই বিমান হামলার বৈধতা পেতে যাচ্ছেন নিশ্চিতভাবেই।
/বিএ/
/আপ-এএ/








