ইন্দোনেশিয়ায় এয়ারএশিয়ার বিমান দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ ছিল ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রাংশ। দুর্ঘটনা নিয়ে এক বছর ধর চলা তদন্ত প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির সময় ক্রুদের সাড়া না দিতে পারাও দুর্ঘটনায় ভূমিকা রাখে। মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে একথা বলা হয়েছে।
গত বছর ডিসেম্বরে এ বিমান দুর্ঘটনায় ১৬২ জন মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল। গত ২৮ ডিসেম্বর এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট কিউজেড৮৫০১ ফ্লাইটটি পূর্ব জাভার সুরাবায়ার জুয়ান্দা বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে জাভা সাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়। বিমানটিতে সাতজন ক্রু ও ১৫৫ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৩৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৬ শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪৯ জন ছিল ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। নিখোঁজ বাকি ছয় যাত্রীর মধ্যে তিনজন কোরিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, ব্রিটেন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক ছিল।
এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট কিউজেড৮৫০১ ফ্লাইটটি ২৮ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়া থেকে সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে ১৬২ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি জাভা সাগরের ওপর ভেঙে পড়ে। নিখোঁজ যাত্রীদের মধ্যে ১৪৯ জন ছিল ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। নিখোঁজ বাকি ছয় যাত্রীর মধ্যে তিনজন কোরিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, ব্রিটেন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক ছিল।
এর আগের তদন্ত প্রতিবেদনে খারাপ আবহাওয়াকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে দায়ী করা হয়েছিল। তবে নতুন এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানের রাডার নিয়ন্ত্রণকারী ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমের একটি অংশ অচল হয়েছে। এরপর ওই যন্ত্রাংশটি চারবার পাইলটকে সতর্কবার্তা পাঠায়।
বিমানের ক্রুরা কম্পিউটার রিস্টার্ট করে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করে। কিন্তু ওই যান্ত্রিক গোলযোগ অটোপাইলট ব্যবস্থাকে অকেজো করে ফেলে। এতে করে বিমানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে পাইলট। বিমানটি এমন এক পর্যায়ে আটকে যায় যেখান থেকে একে রক্ষা করা ফ্লাইট ক্রুদের সামর্থের বাইরে চলে যায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিমানের ক্রুরা এই যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানত। ২০১৪ সালে এই ত্রুটি ২৩ বার ঘটেছে। এর আগে রিস্টার্ট দিয়েই বেশিরভাগ সময় ত্রুটি সারানো হয়েছিল।
/এএ/বিএ/








