ইরাকে সু্ন্নিপন্থি সশস্ত্র সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) মোকাবেলায় বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোন ধরনের বাহিনী মোতায়েন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ার করেছে ইরাক।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যাশটন কার্টার হাউজ আর্মড সার্ভিস কমিটির এক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইরাক সরকারের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতার ভিত্তিতে ইরাকি ও কুর্দিদের যুদ্ধে সহায়তা করার জন্যই এই বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।”
তবে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আব্বাদি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “কোন সামরিক বাহিনী, তা বিশেষ হোক আর না-ই হোক, ইরাক সরকারের অনুমোদন ছাড়া ইরাকের মাটিতে কোন রকম অভিযান চালাতে পারবে না।”
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, এই বাহিনী অভিযান চালিয়ে বন্দিদের মুক্ত করবে এবং আইএস সদস্যদের আটক করবে। অ্যাশটন জানান, সিরিয়ায় ‘যৌথ সামরিক অভিযান’ও চালাবে এই বিশেষ বাহিনী।
এ ছাড়াও কুর্দিদের সঙ্গে একযোগে আইএস বিরোধী যুদ্ধ করার জন্য নারী সামরিক দলও তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধশত বিশেষ বাহিনী আইএস বিরোধী অভিযানে অংশ নিয়েছে বলেও জানান কার্টার।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে সিরিয়ার একটি বড় অংশ ইসলামিক স্টেটের অধীনে রয়েছে। তবে সম্প্রতি প্যারিসে জঙ্গি হামলায় ১৩০ জনের প্রাণহানির পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন যৌথভাবে সিরিয়ায় সেনা অভিযান চালানোর সুপারিশ করেন।
সূত্র বিবিসি, আল জাজিরা
ইউআর/ বিএ








