ফের দুই শিশুর মৃতদেহের সন্ধান মিললো তুরস্কের উপকূলে। মঙ্গলবার দেশটির পশ্চিম উপকূলে তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কোস্টগার্ড।
ধারণা করা হচ্ছে, এ শিশুরা আয়লান কুর্দির মতো ভাগ্যবিড়ম্বিত শরণার্থী। তারা তুরস্ক হয়ে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।
তুরস্কের ইজমির প্রদেশের জেলেরা যখন দুই শিশুর সন্ধান পায় তখন তারা লাইফ জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
তুরস্কের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, একইদিন তারা দেশটির পশ্চিম উপকূলের পানিসীমা থেকে গ্রিসমুখী দুই শতাধিক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে।
তুর্কি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শক্তিশালী ঝড়ের আশঙ্কা থাকায় তারা গত বুধ ও বৃহস্পতিবার আজিয়ান সাগরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছেন।
প্রতিনিয়ত গ্রিস হয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেন বিপুল সংখ্যক শরণার্থী। এদের অধিকাংশই যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার নাগরিক।
২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর তুরস্কের সৈকতে ভেসে আসা সিরীয় অভিবাসন-প্রত্যাশী শিশু আয়লান কুর্দির মৃতদেহ দেখে কেঁদে উঠে বিশ্ব বিবেক। বিশ্বজুড়ে মূল ধারার প্রায় প্রতিটি গণমাধ্যমের শিরোনাম হয় আয়লান। কিন্তু এখনও যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের উপকূলে বা সীমান্তে আরও বহু শিশু জীবনের ঝুঁকিতে রয়েছে তুরস্কে নতুন করে সন্ধান পাওয়া দুই শিশুর মৃতদেহ সে কথাই মনে করিয়ে দেয়।
ইউনিসেফ- এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সমুদ্রে তুরস্ক ও গ্রিসের মাঝামাঝি এলাকায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৫৯০ জন শরণার্থী শিশু। এদের মধ্যে ১৮৫ জনই শিশু। এই শিশুদের অন্তত পাঁচ শতাংশের বয়স দুই বছরের কম।
ভাগ্যবিড়ম্বিত এসব শিশুদের অধিকাংশই সিরিয়া, আফগানিস্তান ও ইরাক থেকে পরিবারের সঙ্গে যাত্রা করেছিল। এদের অধিকাংশের বয়স ১২ বছরের নিচে। সূত্র: আনাদোলু।
/এমপি/








