নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারত ও চীনের মধ্যে সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার মহাসচিব অ্যান্থোনিও গুতেরেস তার মুখপাত্রের মাধ্যমে উভয়পক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
দিল্লির দাবি, লাদাখ সীমান্তে চীনা সৈন্যদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ভারতের একজন কর্নেল পদমর্যাদার সেনাসহ মোট ২০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে চীনের অন্তত ৪৩ সেনা নিহত অথবা গুরুতর আহত হয়েছে বলে দাবি তাদের।
মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে ভারত-চীন সংঘর্ষে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগের কথা জানান তার মুখপাত্র এরিক কানেকো। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী সীমান্ত লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (এলএসি) সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং উভয়পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছি। তবে এটা ইতিবাচক যে, উভয় দেশ উত্তেজনা নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে।’
লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষে ভারতীয় সেনা নিহতের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র।
ভারত-চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে এই সংঘর্ষে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির কতজন সেনা হতাহত হয়েছে তা প্রকাশ করেনি বেইজিং। যদিও ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, ওই ঘট্নায় ৪৩ জন চীনা সৈন্য গুরুতর আহত বা নিহত হয়েছে।
১৯৭৫ সালের পর এই প্রথম চীন ও ভারতের মধ্যে প্রাণহানির মতো এমন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো। ১৯৬২ সালে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ হয়।








