দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়োজিত মার্কিন বাহিনীর এক কমান্ডার দাবি করেছেন, মহামারি ঠেকাতে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছে উত্তর কোরীয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত একটি অনলাইন কনফারেন্সে এ দাবি করেন তিনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
শুরু থেকেই উত্তর কোরিয়া দাবি করে আসছে সেদেশে করোনা আক্রান্ত রোগী নেই। করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের সঙ্গে জানুয়ারি মাসেই সীমান্ত সিল করে দেয় পিয়ংইয়ং। জুলাই মাসেই গোটা দেশে জরুরি অবস্থাও জারি করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার রবার্ট আব্রাম বৃহস্পতিবার দাবি করেন, সীমান্ত এলাকা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে উত্তর কোরিয়ার পণ্য আমদানিও অনেক কমে গিয়েছিল। দেশে চোরাকারবার বাড়তে থাকায় বাধ্য হয়ে হস্তক্ষেপ করে সেদেশের প্রশাসন। চীন লাগোয়া সীমান্তে দু’কিলোমিটারের বাফার জোন তৈরি করা হয় এবং সেখানে স্পেশাল অপারেশন ফোর্স (এসওএফ) মোতায়েন করা। ওই এসওএফ বাহিনীকেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি দেশে ঢুকলেই তাকে গুলি করে মেরে ফেলতে হবে।
রবার্ট আব্রাম আরও বলেন, সীমান্ত সিল করে দেওয়ার কারণে পণ্য আমদানি ৮৫% কমেছে উত্তর কোরিয়ায়। দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ধুঁকছে। এছাড়া সম্প্রতি ঘটে যাওয়া টাইফুন মায়সাকের কারণে প্রশাসনের ব্যয় বিপুল বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতে খরচ না বাড়ায় করোনা চিকিৎসার পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে কিম জং–এর দেশে।
সব পরিস্থিতি বিবেচনা করে অদূর ভবিষ্যতে পিয়ং ইয়ং এর দিক থেকে বড় ধরনের উসকানির আশঙ্কা করছেন না রবার্ট।








