সীমান্তে উত্তেজনা চলার মধ্যেই ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের ওপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে চীন। সেই তালিকায় রয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র্র মোদি, বিরোধীদলীয় নেতা সোনিয়া গান্ধী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। চীনা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় শেনজেনের প্রযুক্তি কোম্পানি ঝেনহুয়া ডাটা ইনফরমেশন টেকনোলজি এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।
চীনা গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক ও প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করার দাবি করে ঝেনহুয়া। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একটি “ডেটা লাইব্রেরি” তৈরি করা তাদের কাজ। যার মধ্যে শুধু সংবাদসূত্র নয়, কাগজপত্র, পেটেন্টস, বিডিং ডকুমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এমনকি নিয়োগের তথ্যও আছে। এটি একটি “রিলেশনাল ডেটাবেস” তৈরি করে, যা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং তথ্যগুলোর মধ্যে সংযোগ রেকর্ড করে এবং তা বর্ণনাও করে। এই ডেটা সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণ করে ঝেনহুয়া “হুমকি তৈরিতে” সাহায্য করে। ২৪ ঘন্টা সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ্যবস্তুদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে এই সংস্থা। তা সে পোস্ট হোক, ফ্রেন্ডলিস্ট, ফলোয়ার্স, কমেন্টস, লোকেশন। এসব তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে নেওয়া হয়।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, রাজনৈতিক আঙিনা ছাড়াও চীনের নজরদারিতে রয়েছেন ভারতীয় বিচার ব্যবস্থার গণমান্য ব্যক্তিরা, রয়েছেন বিজ্ঞান জগতের প্রতিভাবান ব্যক্তিরাও। 'হাইব্রিড যুদ্ধ'-এর জন্যে বিশেষভাবে 'বিগ ডেটা' ব্যবহারের মাধ্যমেই এই নজরদারি চলছে বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।








