ভারত অবৈধভাবে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করেছে দাবি করে চীন বলেছে, তারা এর স্বীকৃতি দেয় না। ওই অঞ্চলে ভারতের অবকাঠামো স্থাপনেরও বিরোধিতা করেছে দেশটি। সীমান্ত এলাকায় ভারতের ৪৪টি নতুন সেতু স্থাপনের প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার এমন ক্ষোভ প্রকাশ করে বেইজিং।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সীমান্ত এলাকায় ভারী যান চলাচলের উপযোগী নতুন ৪৪টি সেতু উদ্বোধন করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সীমান্তে চীন ও পাকিস্তান গোলযোগ তৈরি করছে উল্লেখ করে এদিন প্রতিবেশী দুই দেশের প্রতি হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি। নতুন সেতুগুলোর অবস্থান জম্মু-কাশ্মির, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও পাঞ্জাব সীমান্তে। শুধু লাদাখেই তৈরি হয়েছে ৭টি সেতু।
দিল্লি-বেইজিং উত্তেজনা নিরসনে দফায় দফায় আলোচনা চলার মধ্যে সেতু উদ্বোধনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। চীনের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান মঙ্গলবার বলেন, ‘প্রথমত আমি পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, বেআইনিভাবে ঘোষণা করা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখকে ভারতের বলে স্বীকৃতি দেয় না চীন। অরুণাচল প্রদেশকেও নয়। সীমান্ত এলাকায় সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনে যে নির্মাণকাজ হয়েছে আমরা তারও বিরুদ্ধে।’
লিঝিয়ানের মতে, দু’দেশের ঐকমত্য অনুসারে, সীমান্তে এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যাতে উত্তেজনা বাড়তে পারে। দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সংঘাতের মূল কারণ হিসাবে সীমান্তে দিল্লির এই পরিকাঠামোগত উন্নয়নকেই চিহ্নিত করেছে বেইজিং।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা ও ৩৫-এ ধারার বিলোপ ঘটায় এনডিএ সরকার। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ফলে জম্মু একটি এবং কাশ্মির ও লাদাখ মিলে আরেকটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।








