যুক্তরাজ্য থেকে উদ্ভূত নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস নিয়ে বৈঠক আহ্বান করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। মঙ্গলবার ইউরোপে সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক হান্স ক্লুজে এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্য থেকে উদ্ভূত নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কৌশল নিয়ে আলোচনার জন্য এ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।
এদিকে মহামারির বিবর্তনকে একিট স্বাভাবিক প্রক্রিয়া উল্লেখ করে এটি শনাক্ত করায় যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনার নতুন এই রূপটি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে কিনা তা নির্ধারণের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
এর আগে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেছিলেন, নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, করোনার মূল স্ট্রেইনের চেয়ে এটি ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি কর্মকাণ্ড বিষয়ক পরিচালক মাইকেল রায়ান বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের যা করা দরকার সেটি হচ্ছে কিছুটা সময় নিয়ে ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের তৎপরতা আরও জোরদার করা।
এদিকে ব্রিটিশ সরকার নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি দেশ যুক্তরাজ্য ভ্রমণ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। আরও কয়েকটি দেশ একই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। রবিবার ব্রিটিশ সরকারের ওই ঘোষণার পর প্রথমে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আরও কিছু দেশ তা অনুসরণ করছে।
নতুন রূপে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলাকেই মূলত দায়ী করা হচ্ছে। এর সংক্রমণ প্রতিরোধে সম্প্রতি ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসের ক্রিসমাসে মানুষের ভিড় ঠেকাতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিতে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সরকার মনে করছে, এই নতুন রূপের করোনাভাইরাসটির সংক্রমণ সক্ষমতা আগের চেয়েও বেশি। এটি খুব শক্তিশালী রূপ পেয়েছে।








