দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন বৈশিষ্ট্যের যে করোনাভাইরাসের সন্ধান মিলেছে তার বিরুদ্ধে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কাজ করবে কিনা সে ব্যাপারে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। সোমবার (৪ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সরকারের এক রাজনৈতিক উপদেষ্টাকে উদ্ধৃত করে আইটিভির রাজনীতিবিষযক সম্পাদক এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকা দুই দেশেই সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নতুন বৈশিষ্ট্যের ও অনেক বেশি সংক্রামক করোনাভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। সোমবার ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া যাওয়া ভাইরাসের নতুন বৈশিষ্ট্যটি নিয়ে তিনি এখন খুব উদ্বেগের মধ্যে আছেন।
বায়োএনটেকের সিইও উগুর সাহিন ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক জন বেল বলেছেন, তারা নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কাজ করছে কিনা তা নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন। কোনও ধরনের সংশোধনের প্রয়োজন পড়লে তারা তা ছয় সপ্তাহের মধ্যে করতে পারবেন।
আইটিভির রাজনীতিবিষয়ক সম্পাদক রবার্ট পেস্টন বলেন, ‘সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টাদের একজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন বৈশিষ্ট্যের ভাইরাস নিয়ে ম্যাট হ্যানককের এতোটা উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ জানা গেছে। আর তা হলো যুক্তরাজ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন যতটা কার্যকর হবে, ততোটা কার্যকারিতা দক্ষিণ আফ্রিকার ভাইরাসের বিরুদ্ধে থাকবে কিনা তা নিয়ে।’
ইংল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, করোনাভাইরাসের নতুন বৈশিষ্ট্যের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কার্যকর না হওয়ার আলামতও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনটির ব্যাপারে ব্রিটিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়ে সাড়া পাওয়া যায়নি।









