মিয়ানমারে চলমান অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যারা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে সেসকল কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছে দেশটির বৃহত্তম শ্রমিক সংঘ। দ্য কনফেডারেশন অব ট্রেড ইউনিয়নস অব মিয়ানমার (সিটিইউএম) নামক ওই সংঘের পক্ষ থেকে বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। মিয়ানমার ট্রাইমস-এর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
১ ফেব্রুয়ারি ভোরে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এদিন অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করা হয়। দেশজুড়ে জারি করা হয় এক বছরের জরুরি অবস্থা। অপরদিকে সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে রাজপথে নামে সু চি সমর্থকরা। এতে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। অব্যাহত রয়েছে বিভিন্ন আন্দোলন-কর্মসূচি। বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পরবর্তীতে ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তবুও ঠেকানো যাচ্ছে না আন্দোলন।
এরইমধ্যে এ অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে দ্য কনফেডারেশন অব ট্রেড ইউনিয়নস অব মিয়ানমার। জানানো হয়, নতুন সেনা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী সরকারি কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণে রেখেছে তারা। সংঘের নেতারা অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভকারী কর্মীদেরকে চাকরি ছাড়তে কিংবা সরকারিভাবে পাওয়া আবাসন ছাড়তে বা্ধ্য করছেন কোনও কোনও কর্মকর্তা। এ ধরনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এসব কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি করার শপথ নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এসব কর্মকর্তার কারণে যেসব শ্রমিক আতঙ্ক ও ট্রমায় ভুগছেন তাদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদানেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।









