এবার সেলফি তুলতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গেছেন এক কলেজ ছাত্রী। আরব সাগরের মুম্বাই উপকূলে বান্দ্রার সমুদ্র সৈকতে তলিয়ে যাওয়া কলেজ পড়ুয়া ওই ছাত্রীর নাম তারানাম আনসারি। তার বয়স ১৮ বছর। সমুদ্রে আর দুই বন্ধুর সঙ্গে সেলফি তুলবার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, কলেজ ছুটি থাকায় গোবান্দির বাইগাঁওয়াড়ির তিন কিশোর-কিশোরী শনিবার বান্দ্রায় ঘুরতে এসেছিল। ভোর বেলায় তারা চলে যায় সমুদ্র সৈকতে। সেখানে গিয়ে তারা সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কাছাকাছি জল কম বলে তারা সমুদ্র সৈকত থেকে বেশ খানিকটা দূরে চলে যায় বেশ বড় একটা পাথরের চাঁইয়ের কাছে। তার ওপরে উঠে পড়ে ওই কিশোরী আর তার দুই বন্ধু নিজেদের সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাদের খেয়ালই ছিল না, বিশাল একটা ঢেউ পিছন থেকে ধেয়ে আসছে।
এক মুহূর্তেই সমুদ্রের বেশ উঁচু একটা ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে ওই পাথরের চাঁইয়ের ওপর। জল টেনে নিয়ে যায় ওই কিশোরী আর তার দুই বন্ধুকে। তাদের আর্ত চিৎকার শুনে সমুদ্রে ঝঁপিয়ে পড়েন রমেশ ভালুঞ্জে নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি স্নান করতে এসেছিলেন সমুদ্রে। বেশ কিছুটা সাঁতরে, ডুবে যাওয়া ওই পাথরের চাঁইয়ের কাছে পৌঁছে তিনি জলে হাবুডুবু খাওয়া দুই কিশোর-কিশোরী আঞ্জুম খান ও মুশতারিন খানকে উদ্ধার করেন। তাঁদের তিনি সৈকতে পৌঁছে দিয়ে ফের সাঁতরে ওই পাথরের চাঁইটির কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন তলিয়ে যাওয়া আরেক কিশোরীর হদিশ পাওয়ার জন্য। সেই সময় আরও বড় একটা ঢেউ এসে ভালুঞ্জেকেও টেনে নিয়ে যায়।
শনিবার এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে আরব সাগরের মুম্বই উপকূলে বান্দ্রার সমুদ্র সৈকতে। পুলিশের নৌকা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হেলিকপ্টার ‘তাতরক্ষক’ এখনও পর্যন্ত তলিয়ে যাওয়া দেহদু’টির হদিশ পায়নি। সূত্র: আনন্দবাজার
/বিএ/








