কংগ্রেসের সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রী শশি থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুশকার মুত্যু বিষক্রিয়াতেই হয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট মেডিক্যাল সায়েন্সের রিপোর্ট সমর্থন করে সংস্থাটির রিপোর্টে বলা হয়, সুনন্দার শরীরে ‘বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের’ উপস্থিত ছিল। শরীরে রাসায়নিক পদার্থের এই উপস্থিতির কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট মেডিক্যাল সায়েন্সের ফরেনসিক সায়েন্স বিভাগের প্রধান সুধীর গুপ্ত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এফবিআই তাদের দেওয়া রিপোর্ট সমর্থন করে বলেছে, বিষক্রিয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
গুপ্ত বলেন, ভিসেরা (নাড়ীভুঁড়ি) নমুনায় তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতির বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে এফবিআই নাকচ করে দেননি। ভিসেরা নমুনার অধঃ পতিত অবস্থার কারণে তারা পদার্থের তীব্রতার বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তিনি বলেন, এফবিআই নিহতের পেট, প্লীহা, যকৃৎ, বৃক্ক এবং প্রস্রাব বিশ্লেষণ করেছে। বিশ্লেষণে এসব অঙ্গে একই ধরনের বিষের উপস্থিত পাওয়া গেছে।
গুপ্ত জানান, এফবিআই তাদের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সমর্থন করে তাদের রিপোর্টে অতিরিক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে ‘বিপজ্জনক রাসায়নিক উপস্থিতি’র কথা।
২০১৪ সালের জানুয়ারিতে সুনন্দাকে দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেল কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাকিস্তানি সাংবাদিক মেহের তারারের সঙ্গে শশি থারুরের সম্পর্ক নিয়ে টুইটারে মেহের ও সুনন্দার মধ্যে কথা কাটাকাটির একদিন পর সুনন্দার মৃত্যু হয়। ওই বছর ফেব্রুয়ারিতে সুনন্দার ভিসেরার নমুনা পাঠানো হয় ওয়াশিংটনে এফবিআইয়ের (ফেডারেল ইনভিস্টিগেশন ব্যুরো) ল্যাবে। কারণ অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের এক রিপোর্টে সুনন্দার মৃত্যুর পেছনে বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিলো, যদিও সেই রিপোর্টে কোনও বিষের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল না।সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
/আরএ/








