ধর্ম অবমাননা (ব্লাসফেমি) করেছেন, এমন বিশ্বাস থেকে নিজেই নিজের হাত কেটে ইমামের সামনে হাজির করলেন ১৫ বছরের এক বালক। পাকিস্তানের লাহরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন খবরটি নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় পুলিশ প্রধান নওশের আহমেদের বরাতে ডন জানিয়েছে, গ্রামের মসজিদ প্রাঙ্গনে সমবেত বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের সামনে মসজিদের ইমাম তাদের নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বয়ান করছিলেন। তিনি বলছিলেন, যারা নবী মুহাম্মদকে (স.) ভালবাসেন তারা নিয়মিত নামাজ আদায় করে থাকেন। এরপরই তিনি প্রশ্ন করেন,‘এখানে এমন কেউ আছেন কি যিনি নামাজ পড়েন না? থাকলে হাত তুলেন।’
তখন গ্রামের ওই বালক ভুলবশত হাত তোলে। আসলে নিয়মিত নামাজ আদায় করলেও ইমামের কথা ভালোমতো বুঝতে না পেরে হাত তুলেছিল সে। এরপর উত্তেজিত জনতা তাকে ব্লাসফেমিতে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপরই ঘটে ভয়ঙ্কর সেই ঘটনা। স্থানীয় পুলিশ প্রধানের বরাতে ডন জানায়, এরপর ওই বালক ছুটে বাড়ি চলে যান এবং নিজের হাত কেটে একটি থালায় করে তা এনে ইমামের সামনে হাজির করেন।
চারদিন আগে গত মঙ্গলবার পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোর থেকে ১২৫ কিলোমিটা দূরের এক গ্রামে এ এই মর্মান্তিক ঘটনা সংঘটিত হয় বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা নওশের আহমেদ। ডন নিউজকে তিনি দাবি করেছেন, এ ঘটনার ওপর ধারণকৃত এক ভিডিও থেকেই পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ ঘটনায় কেউ মামলা দায়ের না করায় কোন অভিযোগ গঠন করা হয়নি।
/বিএ/








