পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখার চারসাদ্দায় অবস্থিত বাচা খান বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের পর এখনও সেখানে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন। এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তারা পুরো বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চল ঘিরে রেখেছে। মানবিক সহায়তাকারী সংগঠন ইদির এক স্বেচ্ছাসেবীর বরাতে ডন জানায়, অন্তত ১৫টি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এদিকে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে অনেকের হতাহত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। ঘটনাস্থলে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
একজন শিক্ষকের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। খবরে ৮ জনের আহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। হাসপাতাল থাকা অঞ্চলগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এরইমধ্যে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ৫ জনকে ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চারসাদ্দা শহরের সবগুলো হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষক এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, তিনি একজন নিরাপত্তা রক্ষীকে কোনও একজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছেন। তিনি শুনেছেন, ওই নিরাপত্তা রক্ষী টেলিফোনে অনেকের নিহত এবং আহত হওয়ার কথা জানাচ্ছেন। উদ্ধার হওয়া এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে এক উদ্ধারকারী ডনকে জানান, ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থীকে মাথায় গুলিবিদ্ধ হতে দেখা গেছে। তবে এ তথ্যের সত্যতার ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভির বরাতে ডন জানায়, অন্তত তিন বন্দুকধারী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে গুলি ছুড়তে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৩ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে থাকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে ডনের প্রতিনিধির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এক নারী। তিনি জানান ভেতরে প্রচণ্ড গোলাগুলি চলছে। দ্রুত সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: ডন, এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
/এফইউ/বিএ/








