আগামীকাল সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে প্রাধান্য পাবে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি ও সীমান্ত হত্যাকাণ্ড। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এ বৈঠক হবে।
হিন্দুস্থান টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, আলোচনায় যোগ দিতে তিন দিনের সফরে রবিবার (৩১ জানুয়ারি) ভারতে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকের। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে তার।
হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় দু’দেশ যে ‘রোডম্যাপের’ বিষয়ে সম্মত হয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে তার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। বৈঠককে সামনে রেখে অবিলম্বে তিস্তা চুক্তির অগ্রগতি কামনা করে আসছে ঢাকা। পাশাপাশি সীমান্তে বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা কমানোরও আহ্বান রয়েছে ঢাকার তরফে। এছাড়া ভারতীয় সহায়তায় বাংলাদেশে যেসব প্রকল্পের কাজ চলছে তা নিয়েও আলোচনা হবে ওই বৈঠকে।
ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাতে হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঢাকা সফর করলেও এখনও তিস্তা চুক্তির পক্ষে সম্মতি দেননি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্মতি পেলেই তিস্তা চুক্তি এগিয়ে নেয়া যেতে পারে। অন্যদিকে সীমান্ত হত্যা বৃদ্ধির বিষয়ে ঢাকা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্ত অতিক্রমের সময় ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, এরমধ্যে ১৬ জনই গরু পাচারকারী। কিন্তু বাংলাদেশি কর্মকর্তারাদের দাবি, ২০১৫ সালে ৪০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস
/বিএ/








